সদস্য চলে যাওয়া সমিতির স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু হিসাব না গুছিয়ে কাউকে বিদায় দিলে বছর পরে সেই নামটাই ঝামেলা হয়ে ফেরে — কেউ দাবি করেন টাকা পাননি, আর খাতায় কিছু লেখা নেই। তাই প্রস্থানের একটা ক্রম থাকা দরকার।
ধাপ ১: কী কী বাকি আছে দেখুন
সদস্যের পাসবই বা ব্যালেন্স রিপোর্ট খুলুন। সঞ্চয়ে কত আছে, ডিপিএসে কত কিস্তি জমা, এফডিআর চলছে কি না, শেয়ার কয়টা, আর লোনের বাকি আসল কত — পাঁচটা ঘর একসাথে দেখুন।
লোন বাকি থাকলে আগে সেটা সমন্বয় করতে হবে। সঞ্চয় থেকে লোন মিটিয়ে বাকিটা ফেরত দেওয়াই সবচেয়ে পরিষ্কার পথ, আর কমিটির সিদ্ধান্তটা লিখে রাখুন।
ধাপ ২: ক্রম ধরে মেটান
প্রথমে লোন সমন্বয়, তারপর ডিপিএস ও এফডিআর বন্ধ, তারপর শেয়ার ফেরত, সবশেষে সঞ্চয় উত্তোলন। এই ক্রম না মানলে কোনো একটা হিসাব খোলা থেকে যায়।
মেয়াদের আগে ডিপিএস ভাঙতে হলে সমিতির নিয়ম অনুযায়ী হবে, আর অ্যাপে সেই নিয়মেই হিসাব বসে — মেয়াদের আগে ডিপিএস ভাঙলে কী হয় লেখায় বিস্তারিত আছে।
- ১. লোন সমন্বয় বা পূর্ণ পরিশোধ
- ২. ডিপিএস ও এফডিআর বন্ধ
- ৩. শেয়ার ফেরত
- ৪. সঞ্চয়ের বাকি টাকা উত্তোলন
- ৫. সদস্যপদ বন্ধ করা
ধাপ ৩: রেকর্ড থেকে যায়
সদস্য বন্ধ করা মানে মুছে ফেলা নয়। তাঁর পুরো লেনদেনের ইতিহাস হিসাবে থেকে যায়, কারণ ওটা সমিতির খতিয়ানের অংশ — মুছে দিলে পুরনো বছরের হিসাব আর মিলবে না।
শেষ উত্তোলনের রসিদটা সদস্যকে দিন আর একটা কপি রাখুন। এটাই পরে প্রমাণ।
প্রস্থানও একটা হিসাবের কাজ। ক্রম ধরে মেটালে সদস্য সন্তুষ্ট হয়ে যান, আর সমিতির খাতা পরিষ্কার থাকে।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store