1কেন ডাবল-এন্ট্রি
সমিতির টাকার প্রতিটি নড়াচড়ার দুটো দিক থাকে — টাকা কোথা থেকে এলো আর কোথায় গেল। ডাবল-এন্ট্রি পদ্ধতি এই দুই দিক একসাথে লেখে, তাই খাতা কখনো একপেশে হয় না আর ভুল থাকলে সাথে সাথে ধরা পড়ে। ব্যাংক আর বড় প্রতিষ্ঠান এভাবেই হিসাব রাখে।
সমিতি কিপার লাইটে আপনাকে ডেবিট-ক্রেডিট বুঝতে হয় না। সঞ্চয় জমা, লোন আদায়, খরচ — যা-ই করুন, অ্যাপ নিজে থেকে ঠিক হিসাবে দুই দিকের এন্ট্রি বসিয়ে দেয়।
2যে খাতা আর রিপোর্টগুলো পান
- খতিয়ান: সব লেনদেন এক তালিকায়, খোঁজা আর প্রিন্ট করা যায়।
- লেজার স্টেটমেন্ট: একটা হিসাবের প্রারম্ভিক আর সমাপনী স্থিতিসহ।
- রেওয়ামিল (ট্রায়াল ব্যালান্স), স্থিতিপত্র (ব্যালান্স শিট), আয়-ব্যয় / লাভ-ক্ষতি আর প্রাপ্তি ও প্রদান।
- ম্যানুয়াল জার্নাল: বিশেষ সমন্বয়ের জন্য — ডেবিট আর ক্রেডিট সমান না হলে পোস্ট বোতামই চালু হয় না।
রেওয়ামিল, স্থিতিপত্র আর লাভ-ক্ষতি CSV ফাইলেও নামানো যায়, যা Excel-এ বাংলাসহ খোলে।
3ভুল হলে মুছে যায় না
একবার বসানো এন্ট্রি এডিট করা যায় না। "ডিলিট" মানে এন্ট্রিটা বাতিল হয়ে খাতায় একটা উল্টো এন্ট্রি বসে, আর কারণ লিখতে হয়। ডিলিট রেকর্ডে চিরকাল থেকে যায় — কে মুছলেন, কে অনুমোদন দিলেন, কেন, আর উল্টো এন্ট্রির নম্বর। ফলে কেউ চুপচাপ হিসাব বদলে দিতে পারেন না।
4অনুমোদন আর নজরদারি
- সাম্প্রতিক এন্ট্রি (ডিফল্টে ৩ দিনের) সরাসরি ডিলিট করা যায়; তার আগের হলে মালিকের অনুমোদন লাগে।
- মালিক চাইলে সব ডিলিটেই অনুমোদন বাধ্যতামূলক করতে পারেন।
- অনুমোদন কেন্দ্রে লোন, ভাউচার আর ডিলিটের অনুরোধ একসাথে দেখা যায় — একটা একটা করে বা একসাথে।
- কার্যকলাপ মনিটরিং-এ দেখা যায় কোন কর্মী কী করলেন।
সাধারণ প্রশ্ন
নিজের হিসাবের খাত যোগ করা যায়?
হিসাবের মূল খাতগুলো আগে থেকেই তৈরি থাকে। নতুন ব্যাংক বা কর্মীর ওয়ালেট যোগ করলে তার খাত নিজে থেকে তৈরি হয়, আর আয়-ব্যয়ের ক্যাটাগরি যেকোনো আয় বা ব্যয়ের খাতের সাথে জোড়া যায়।
হিসাব না বুঝলেও কি চালানো যাবে?
হ্যাঁ। আপনি শুধু জমা, আদায় আর খরচ এন্ট্রি দেন — ডেবিট-ক্রেডিট অ্যাপ নিজে বসায়, আর রিপোর্ট তৈরি থাকে।
কেউ কি এন্ট্রি বদলে দিতে পারে?
না। বসানো এন্ট্রি এডিট হয় না; বাতিল করলে উল্টো এন্ট্রি আর ডিলিট রেকর্ড থেকে যায়, আর পুরনো এন্ট্রিতে মালিকের অনুমোদন লাগে।