1যে রিপোর্টগুলো সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে
- সার্বিক রিপোর্ট: পুরো সমিতির অবস্থা এক জায়গায়, সাথে "মনোযোগ দরকার" সতর্কতা। চাইলে A4 PDF।
- আদায় শীট: দিন, কালেক্টর আর খাত ধরে কত আদায় হলো।
- মাসিক টপ শীট।
- সদস্যের পাসবই ও স্টেটমেন্ট: একজন সদস্যের সব হিসাব বা নির্দিষ্ট হিসাব।
- বাৎসরিক ট্র্যাকার: সদস্য × ১২ মাস — কে কোন মাসে দিয়েছেন, কে দেননি, টার্গেট আর বকেয়া। সঞ্চয়, ডিপিএস, এফডিআর, শেয়ার আর লোন — সবার জন্য।
2লোন আর হিসাবের রিপোর্ট
লোন আউটস্ট্যান্ডিং, ঋণের টার্গেট, PAR ৩০/৬০/৯০, লোন এজিং আর খেলাপি তালিকা; সাথে ক্যাশ ফ্লো, শীর্ষ ঋণগ্রহীতা ও জমাকারী, নিষ্ক্রিয় হিসাব। হিসাবের দিকে রেওয়ামিল, স্থিতিপত্র আর লাভ-ক্ষতি।
3তারিখ আর ফিল্টার
আজ, এই সপ্তাহ, এই মাস, গত মাস, এই বছর, শুরু থেকে — অথবা নিজের মতো তারিখ। সপ্তাহ গোনা হয় শনিবার থেকে, যেমন আমাদের সমিতির খাতায়। দরকারমতো এরিয়া, কালেক্টর আর ব্যাংক ধরেও ফিল্টার। যে মডিউল বন্ধ, তার রিপোর্ট তালিকায় আসে না; প্রিয় রিপোর্টে ⭐ দিয়ে উপরে রাখা যায়।
4PDF, প্রিন্ট আর শেয়ার
বেশিরভাগ রিপোর্ট PDF করে শেয়ার বা প্রিন্ট করা যায় — বাংলা লেখা ঠিকঠাক আসে। স্থিতিপত্র আর আয়-ব্যয়ের হিসাব লেখা হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপেও পাঠানো যায়। রসিদ ছাপা যায় ৫৮ বা ৮০ মিমি ব্লুটুথ থার্মাল প্রিন্টারে।
সাধারণ প্রশ্ন
সব রিপোর্ট কি Excel-এ নামানো যায়?
না। রেওয়ামিল, স্থিতিপত্র আর লাভ-ক্ষতি CSV ফাইলে নামানো যায় (Excel-এ খোলে); বাকি রিপোর্ট PDF হিসেবে শেয়ার বা প্রিন্ট করা যায়।
কোন সদস্য কোন মাসে টাকা দেননি দেখব কীভাবে?
বাৎসরিক ট্র্যাকার খুলুন — প্রতিটি সদস্যের ১২ মাসের ঘরে কে দিয়েছেন আর কে বাকি তা দেখা যায়।
কর্মীরা কি সব রিপোর্ট দেখতে পারেন?
কিছু রিপোর্ট দেখতে বা নামাতে আলাদা অনুমতি লাগে; মালিক কর্মীর ভূমিকা অনুযায়ী তা ঠিক করেন।