← ব্লগে ফিরে যান
সঞ্চয় ও ঋণ

মেয়াদের আগে ডিপিএস ভাঙলে কী হয়

সদস্য বিপদে পড়ে আগেই টাকা চাইলে কী করবেন? মুনাফার হিসাব, নিয়ম লিখে রাখা আর হিসাবে কী ঘটে।

মেয়াদের আগে ডিপিএস ভাঙলে কী হয়

পাঁচ বছরের ডিপিএস দুই বছরে ভাঙতে চাওয়া অস্বাভাবিক নয় — অসুখ, বিয়ে, দুর্ঘটনা। প্রশ্নটা হলো, তখন সদস্য কত পাবেন। এটা আগে থেকে লেখা না থাকলে প্রতিটি ঘটনায় আলাদা সিদ্ধান্ত হয়, আর তখন পক্ষপাতের অভিযোগ ওঠে।

নিয়মটা আগে লিখে রাখুন

সাধারণ নিয়ম হলো — মেয়াদ পূর্ণ না হলে পূর্ণ মুনাফা পাওয়া যায় না। কত বছর পূর্ণ হলে কত হারে মুনাফা, আর কত আগে ভাঙলে কোনো মুনাফা নেই — এই ছকটা সভায় পাস করিয়ে নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দিন।

অ্যাপে মেয়াদের আগে ডিপিএস ভাঙার ব্যবস্থা আছে, কিন্তু কত দেবেন সেটা আপনার সমিতির নিয়ম — সফটওয়্যার নিয়ম বানায় না, নিয়ম মানে।

  • এক বছরের আগে ভাঙলে — আসল, মুনাফা নেই
  • এক বছর পর — কম হারে মুনাফা
  • মেয়াদের কাছাকাছি — পূর্ণ হারের কাছাকাছি
  • ছকটা সভায় পাস ও নোটিশে প্রকাশ

ভাঙার আগে একটা বিকল্প দিন

অনেক সদস্য ডিপিএস ভাঙতে চান সাময়িক টাকার দরকারে। তাঁকে তাঁর জমার বিপরীতে একটা ছোট ঋণ দিলে ডিপিএস চলতেই থাকে আর তিনিও টাকা পান — দুই পক্ষেরই লাভ।

এই বিকল্পটা আগে বলুন, তারপর ভাঙার কথা। পাঁচ বছরের একটা অভ্যাস ভেঙে গেলে সেটা আর ফেরে না।

হিসাবে কী ঘটে

ভাঙলে সদস্যের ডিপিএস হিসাব বন্ধ হয়, প্রাপ্য টাকা উত্তোলন হিসেবে বের হয় আর ক্যাশ বা ব্যাংক থেকে যায়। আগে যে মুনাফা জমা হয়েছিল তার সমন্বয় নিয়ম অনুযায়ী হয়।

পুরো ঘটনাটা রেকর্ডে থাকে — কে, কখন, কত পেলেন আর কী কারণে। এটাই পরে প্রমাণ, আর এটাই অন্য সদস্যদের একই দাবি করা থেকে আটকায়।

নিয়ম আগে লিখুন, বিকল্প আগে দিন — তারপরেও ভাঙতে চাইলে নিয়ম অনুযায়ী মিটিয়ে দিন আর কারণ লিখে রাখুন।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store