← ব্লগে ফিরে যান
সঞ্চয় ও ঋণ

সিসি ঋণ (বন্ধকী) — দৈনিক স্থিতিতে মুনাফার হিসাব

স্বর্ণ বা দলিল বন্ধক রেখে ঋণ — কিস্তির ছক নেই, মুনাফা বসে চলতি আসলের উপর দিন ধরে। কীভাবে কাজ করে।

সিসি ঋণ (বন্ধকী) — দৈনিক স্থিতিতে মুনাফার হিসাব

সব ঋণ কিস্তির ছকে চলে না। স্বর্ণ বা দলিল বন্ধক রেখে দেওয়া ঋণে সদস্য যখন পারেন তখন টাকা জমা দেন, আর মুনাফা বসে যত দিন যত টাকা বাকি ছিল তার উপর। এটাকেই সিসি ঋণ বলা হয়।

কিস্তির ছক নেই, তাই হিসাব আলাদা

সাধারণ লোনে মুনাফা আগে থেকেই হিসাব করে কিস্তিতে ভাগ করা থাকে। সিসি ঋণে তা সম্ভব নয়, কারণ কত দিন টাকা বাকি থাকবে তা আগে জানা যায় না।

তাই মুনাফা বসে দৈনিক স্থিতির উপর — যত টাকা যত দিন বাকি, ঠিক তত মুনাফা। সদস্য আগে শোধ করলে কম মুনাফা দেন, দেরি করলে বেশি। এটাই এই ঋণের ন্যায্যতা।

মঞ্জুরি সীমা ও জামানত

সিসিতে একটা মঞ্জুরি সীমা থাকে — সদস্য এর ভেতরে যতবার দরকার তত টাকা তুলতে পারেন, আর শোধ করলে সীমা আবার খালি হয়। অনেকটা চলতি হিসাবের মতো।

সীমা ঠিক হয় জামানতের মূল্য দেখে। জামানতের কত শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেবেন তা আগে নিয়ম করে নিন — স্বর্ণের দাম পড়ে গেলে শতভাগ দেওয়া সমিতির ক্ষতি।

  • মঞ্জুরি সীমা — এর ভেতরে যতবার দরকার
  • মুনাফা দৈনিক স্থিতির উপর
  • আদায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুনাফা ও আসলে ভাগ হয়
  • বন্ধকী মালামালের তালিকা রাখা হয়
  • জামানত ফেরতের রেকর্ড

শোধ ও জামানত ফেরত

সদস্য টাকা জমা দিলে সেটা নিয়ম অনুযায়ী আগে মুনাফায় আর তারপর আসলে বসে — এটা অ্যাপ নিজেই করে। সম্পূর্ণ শোধ হলে হিসাব বন্ধ হয়।

তারপর জামানত ফেরত দিন আর সেটার রেকর্ড রাখুন — কী ফেরত দিলেন, কাকে, কোন তারিখে। স্বর্ণ ফেরত দিয়ে রেকর্ড না রাখলে পরে দাবি উঠতে পারে।

সিসি ঋণ নমনীয়, তাই জনপ্রিয় — কিন্তু জামানতের মূল্যায়ন আর ফেরতের রেকর্ড, এই দুটোতেই কড়া থাকতে হয়।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store