জামিনদার দিয়ে ঋণ দেওয়ার রীতি প্রায় সব সমিতিতেই আছে। কিন্তু যখন আদায়ে সমস্যা হয়, তখন দেখা যায় জামিনদারের নাম কোথাও লেখা নেই, বা তিনি জানতেনই না তিনি জামিনদার। তখন রীতিটা শুধু একটা আচার হয়ে থাকে।
জামিনদারের কী কী লিখবেন
নাম, মোবাইল নম্বর, NID আর ঋণগ্রহীতার সাথে সম্পর্ক — ন্যূনতম এই চারটে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তাঁর নিজের স্বীকৃতি: তিনি জানেন ও মানেন যে দায় তাঁরও।
অ্যাপে জামিনদার ও জামানতের তথ্য লিখে রাখার ঘর আছে। লোনের সাথেই এটা থাকে, তাই পরে খুঁজতে হয় না।
জামানতের বেলায়
কী বন্ধক রাখা হলো, তার বর্ণনা, পরিমাণ বা ওজন, আর কত টাকা মূল্য ধরা হলো — সব লিখুন। স্বর্ণ বা দলিল বন্ধকের ক্ষেত্রে এটা সবচেয়ে বেশি দরকার, আর সিসি ঋণে বন্ধকী মালামালের তালিকা রাখার ব্যবস্থাও আছে।
জামানতের কত শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেবেন, সেটা আগে ঠিক করুন। শতভাগ দিলে দাম পড়ে গেলে সমিতি ক্ষতিতে পড়ে।
- জামিনদারের নাম, নম্বর, NID ও সম্পর্ক
- তাঁর নিজের স্বীকৃতি — লিখিত
- জামানতের বর্ণনা, পরিমাণ ও ধরা মূল্য
- জামানতের কত শতাংশ ঋণ — নিয়ম
- জামানত ফেরতের রেকর্ড
কখন জামিনদারকে জানাবেন
প্রথম কিস্তি বাকি পড়ার সাথে সাথেই — ছয় মাস পরে নয়। তখন জানালে জামিনদার নিজেই ঋণগ্রহীতাকে চাপ দেন, আর বেশিরভাগ সমস্যা ওখানেই মিটে যায়।
দেরিতে জানালে তিনি ক্ষুব্ধ হন, বলেন তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে, আর তখন তিনি সহযোগিতার বদলে বিরোধিতা করেন।
জামিনদার আপনার দ্বিতীয় আদায়কারী — শুধু তাঁকে ঠিক সময়ে জানাতে হয়, আর তাঁর স্বীকৃতিটা লিখে রাখতে হয়।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store