← ব্লগে ফিরে যান
তহবিল ব্যবস্থাপনা

ঋণ–আমানত অনুপাত কত হলে নিরাপদ

সদস্যের জমার কত শতাংশ ঋণে খাটাবেন? সংখ্যাটা বেশি হলে কী ঘটে আর কমালে কী হারায়।

ঋণ–আমানত অনুপাত কত হলে নিরাপদ

ঋণ-আমানত অনুপাত মানে সদস্যদের মোট জমার কত শতাংশ ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। এই একটা সংখ্যাই সমিতির ঝুঁকি আর লাভের ভারসাম্যটা ধরে রাখে।

অনুপাত বেশি হলে

লাভ বাড়ে, কারণ বসে থাকা টাকা কম। কিন্তু হাতের টাকাও কম — আর তখন কয়েকজন একসাথে উত্তোলন চাইলে সমিতি দিতে পারে না। একবার দিতে না পারলে খবর ছড়ায়, আর তখন সবাই চাইতে আসেন।

শতভাগের কাছে গেলে সমিতি কার্যত জুয়া খেলছে — ধরে নিচ্ছে কেউ টাকা চাইবে না। এই অনুমান কোনো একদিন ভাঙে।

অনুপাত কম হলে

নিরাপদ, কিন্তু আয় কম। সদস্যকে মুনাফা দিতে হচ্ছে, অথচ টাকা বসে আছে — ফলে লাভ-ক্ষতি হিসাবে ঘাটতি দেখাবে। খুব কম অনুপাত মানে সমিতি নিজের খরচ তুলতেই পারছে না।

তাই দুই দিকেই সীমা আছে। নিজের সমিতির জন্য একটা পরিসর ঠিক করে নিন আর কমিটির সভায় সেটা পাস করিয়ে নিন।

  • অনুপাত বেশি → লাভ বেশি, তরলতার ঝুঁকি বেশি
  • অনুপাত কম → নিরাপদ, কিন্তু আয় কম
  • মেয়াদি জমার অংশ বেশি হলে একটু বেশি অনুপাত সামলানো যায়
  • সাধারণ সঞ্চয়ের অংশ বেশি হলে অনুপাত কম রাখুন

জমার ধরনটাও দেখুন

সব জমা সমান নয়। এফডিআর ও ডিপিএসের টাকা মেয়াদ পর্যন্ত থাকবে, তাই সেটার বড় অংশ ঋণে খাটানো নিরাপদ। সাধারণ সঞ্চয় যেকোনো দিন চলে যেতে পারে।

তাই শুধু মোট অনুপাত নয় — মেয়াদি জমা আর চলতি জমার অনুপাতটাও দেখুন। মেয়াদি অংশ বাড়ানোই সমিতিকে শক্ত করার সবচেয়ে ভালো পথ।

একটা পরিসর ঠিক করে সভায় পাস করিয়ে নিন, আর প্রতি মাসে সংখ্যাটা দেখুন — অনুমানে চালাবেন না।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store