← ব্লগে ফিরে যান
তহবিল ব্যবস্থাপনা

বছর শেষের হিসাব বন্ধ ও লভ্যাংশের প্রস্তুতি

অর্থবছর শেষে কী কী মিলিয়ে নেবেন, কোন ক্রমে কাজ করবেন আর লভ্যাংশ ঘোষণার আগে কী দেখবেন।

বছর শেষের হিসাব বন্ধ ও লভ্যাংশের প্রস্তুতি

বছর শেষের হিসাব বন্ধ করা মানে শুধু কিছু রিপোর্ট ছাপানো নয় — এটা একটা ক্রমে কাজ। ক্রমটা না মানলে লভ্যাংশ ভুল হিসাব হয়, আর ভুল লভ্যাংশ ফিরিয়ে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।

ধাপে ধাপে

প্রথমে সব এন্ট্রি বসেছে কি না দেখুন — বিশেষত বছরের শেষ কয়েক দিনের। তারপর ক্যাশ, ব্যাংক ও বিকাশ তিনটে মিলিয়ে নিন। তারপর সমন্বয়ের জার্নাল — অবচয়, বকেয়া মুনাফা, প্রভিশন।

এরপর রেওয়ামিল বের করুন। দুই পাশ মিললে লাভ-ক্ষতি হিসাব ও স্থিতিপত্র বের করুন। এই ক্রমে না গিয়ে সরাসরি লাভ-ক্ষতি দেখলে সংখ্যাটা অসম্পূর্ণ।

  • ১. সব এন্ট্রি সম্পূর্ণ করুন
  • ২. নগদ, ব্যাংক ও বিকাশ মিলকরণ
  • ৩. সমন্বয়ের জার্নাল — অবচয়, প্রভিশন
  • ৪. রেওয়ামিল মিলিয়ে নিন
  • ৫. লাভ-ক্ষতি ও স্থিতিপত্র

লভ্যাংশের আগে তিনটে প্রশ্ন

আসল লাভ কত — লাভ-ক্ষতি হিসাব থেকে। লভ্যাংশ দেওয়ার মতো হাতের টাকা আছে কি — নগদ প্রবাহ থেকে। আর সঞ্চিতিতে কত রাখছেন — এটা কমিটির সিদ্ধান্ত।

লাভ আছে কিন্তু হাতে টাকা নেই — এটা খুব সাধারণ অবস্থা, কারণ লাভের টাকা ঋণে খাটছে। তখন লভ্যাংশ ঘোষণা করলে উত্তোলনের চাপে পড়বেন।

পুরোটা বিতরণ করবেন না

লাভের একটা অংশ সঞ্চিতিতে রাখুন। খারাপ বছরে — খেলাপি বাড়লে, বা বড় উত্তোলন এলে — এই সঞ্চিতিই সমিতিকে টিকিয়ে রাখে।

কত শতাংশ রাখবেন তা নিয়ম করে সভায় পাস করিয়ে নিন। প্রতি বছর নতুন করে তর্ক করলে ভালো বছরে সবাই পুরোটা বিতরণ করতে চান।

ক্রম মেনে বন্ধ করুন, তারপর হাতের টাকা দেখে লভ্যাংশ ঠিক করুন — আর একটা অংশ সবসময় সঞ্চিতিতে রাখুন।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store