শুরুতে ছোট প্যাকেজ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ — যা লাগবে না তার জন্য টাকা দেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু সমিতি বাড়লে একটা সময় আসে যখন আপগ্রেড না করলে কাজ আটকে যায়। সেই সময়টা চিনে নেওয়া দরকার।
যে তিনটে লক্ষণ দেখবেন
এক, সদস্য সংখ্যার সীমায় পৌঁছে গেছেন আর নতুন সদস্য যোগ করতে পারছেন না। দুই, একটা মডিউল দরকার যেটা চলতি প্যাকেজে নেই। তিন, স্টাফ সংখ্যা বাড়াতে হবে।
তিনটের কোনোটা হলে আপগ্রেডের কথা ভাবুন। তার আগে নয় — কারণ বড় প্যাকেজ নিয়ে ব্যবহার না করলে সেটা শুধু খরচ।
- সদস্য সংখ্যার সীমায় পৌঁছানো
- নতুন মডিউল দরকার
- স্টাফ সংখ্যা বাড়ানো
খরচটা হিসাব করে দেখুন
আপগ্রেডের বাড়তি খরচ মাসে কত, আর তার বিপরীতে কী পাচ্ছেন — এই তুলনাটা করুন। নতুন পঞ্চাশজন সদস্যের জমা থেকে যে আয় হবে, তার তুলনায় প্যাকেজের খরচ সাধারণত অনেক ছোট।
প্রিমিয়াম মডিউলগুলো আলাদা করে কিনতে হয়। যেটা সত্যিই দরকার শুধু সেটাই কিনুন — না কিনলেও সমিতির দৈনন্দিন হিসাব পুরোপুরি চলে।
পেমেন্ট ও মেয়াদ
বিকাশে ঘরে বসে পেমেন্ট করা যায়, আর ইনভয়েস ও রসিদ অ্যাপেই পাওয়া যায় — হিসাবের জন্য ওটা রেখে দিন।
মেয়াদ শেষ হলেও হিসাব মুছে যায় না। নবায়ন করলে আগের জায়গা থেকেই কাজ শুরু হয়, তাই কোনো মাস বাদ পড়লেও ডেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই।
দরকার হলে আপগ্রেড করুন, আগে নয়। আর যে মডিউল ব্যবহার করবেন না, সেটা কিনবেন না।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store