সমিতিতে পাঁচটা স্কিম চলছে, মোটে লাভ হচ্ছে — তাই সব ঠিক আছে, এই ধারণাটা প্রায়ই ভুল। সাধারণত দুটো স্কিম লাভ করে আর বাকি তিনটে সেই লাভ খেয়ে ফেলে। পণ্য-ভিত্তিক লাভের রিপোর্ট এটাই আলাদা করে দেখায়।
কীভাবে পড়বেন
প্রতিটি পণ্য বা স্কিম ধরে দেখুন সেখান থেকে আয় কত আর তার বিপরীতে খরচ কত। সঞ্চয় স্কিমে খরচ মানে প্রদেয় মুনাফা, লোন পণ্যে আয় মানে আদায় হওয়া মুনাফা।
সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত হয় পরিচালনার খরচ। দৈনিক আদায়ের স্কিমে মুনাফা ভালো দেখায়, কিন্তু প্রতিদিন আদায়কারীর যাতায়াত ও সময় ধরলে ছবিটা বদলে যেতে পারে।
যে সিদ্ধান্তগুলো এখান থেকে আসে
কোন স্কিমের মুনাফার হার বাড়াতে হবে, কোনটার আদায়ের পদ্ধতি বদলাতে হবে, আর কোনটা একেবারে বন্ধ করে দেওয়াই ভালো — তিনটেই এই রিপোর্ট থেকে আসে।
বন্ধ করা মানে চলতি সদস্যদের তাড়ানো নয়। নতুন ভর্তি বন্ধ করুন, আর যাঁরা আছেন তাঁরা মেয়াদ শেষ করে বেরিয়ে যাবেন।
- হার বাড়ানো — যেখানে মার্জিন কম
- আদায়ের পদ্ধতি বদল — যেখানে খরচ বেশি
- নতুন ভর্তি বন্ধ — যেখানে লাভ নেই
- প্রচার বাড়ানো — যেখানে লাভ সবচেয়ে ভালো
বছরে দুবার দেখুন
প্রতি মাসে দেখার দরকার নেই — একটা স্কিমের আসল ছবি ছয় মাসের কম সময়ে পরিষ্কার হয় না। কিন্তু বছরে অন্তত দুবার দেখুন।
আর নতুন স্কিম চালু করার ছয় মাস পর বিশেষ করে দেখুন। অনেক স্কিম চালু হয় উৎসাহে, আর চলতে থাকে অভ্যাসে — লাভ আছে কি না কেউ পরীক্ষা করে না।
মোট লাভ দেখে সন্তুষ্ট হবেন না। কোন স্কিম টানছে আর কোনটা ভার, সেটা জানলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store