সমিতির টাকা বসে থাকলে লাভ হয় না — এটা সত্যি। কিন্তু সব টাকা ঋণে চলে গেলে সমিতি একটা মজার জায়গায় পৌঁছে যায়: খাতায় সম্পদ অনেক, হাতে এক টাকাও নেই। আর সদস্য টাকা চাইলে খাতার সম্পদ কাজে আসে না।
হাতে কত রাখা দরকার
শুরুর হিসাবটা সহজ — গত তিন মাসে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ কত উত্তোলন হয়েছে তা দেখুন। সেই অঙ্কের অন্তত সমান টাকা নগদ ও ব্যাংকে মিলিয়ে হাতে রাখুন।
এর সাথে যোগ করুন আগামী মাসে মেয়াদপূর্তি হচ্ছে এমন ডিপিএস ও এফডিআরের অঙ্ক। মেয়াদপূর্তির আগাম তালিকা এটা আগেই দেখিয়ে দেয়, তাই চমকে ওঠার দরকার হয় না।
- গত তিন মাসের সর্বোচ্চ মাসিক উত্তোলন
- আগামী মাসের মেয়াদপূর্তির মোট
- পরিচালনার এক মাসের খরচ
- এই তিনটের যোগফল = ন্যূনতম হাতের টাকা
কোন রিপোর্টে দেখবেন
নগদ প্রবাহ স্টেটমেন্ট দেখায় টাকা কোন পথে আসছে আর কোন পথে যাচ্ছে। ঋণ-আমানত অনুপাত দেখায় সদস্যের জমার কত শতাংশ ঋণে আটকে আছে।
অনুপাত যত বেশি, তরলতার ঝুঁকি তত বেশি। সংখ্যাটা কত হলে নিরাপদ তা নিয়ে আলাদা লেখা আছে — ঋণ-আমানত অনুপাত কত হলে নিরাপদ।
চাপ এলে কী করবেন
প্রথমে নতুন ঋণ বিতরণ থামান — এটাই সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে। তারপর কিস্তি আদায়ে জোর দিন আর খেলাপিদের ধরুন। খরচ কমানো তৃতীয় ধাপ।
যা করবেন না: নতুন সদস্যের জমা দিয়ে পুরনো সদস্যের উত্তোলন মেটাবেন না। এটা সমাধান মনে হয়, আসলে সমস্যা বড় করার পথ।
লাভ আসে খাটানো টাকা থেকে, আর টিকে থাকা আসে হাতে রাখা টাকা থেকে। দুটোর ভারসাম্যই পরিচালনার আসল কাজ।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store