← ব্লগে ফিরে যান
হিসাবের প্রাথমিক পাঠ

স্থিতিপত্র (ব্যালেন্স শীট) এক নজরে

সমিতির কী আছে, কী দিতে হবে আর নিজের কত — একটা পাতায় পুরো আর্থিক ছবি পড়ার নিয়ম।

স্থিতিপত্র (ব্যালেন্স শীট) এক নজরে

লাভ-ক্ষতি হিসাব বলে এক বছরে কী হলো; স্থিতিপত্র বলে আজ এই মুহূর্তে সমিতির অবস্থা কী। একটা সময়ের ছবি, একটা মুহূর্তের ছবি — দুটো মিলিয়েই সমিতির পূর্ণ চেহারা।

তিনটে ভাগ

সম্পদ — নগদ, ব্যাংক, বিতরণ করা ঋণ, আসবাব। দায় — সদস্যের সঞ্চয়, ডিপিএস, এফডিআর, অন্য পাওনা। আর মূলধন — শেয়ার, পরিচালকের মূলধন আর জমানো সঞ্চিতি।

নিয়ম একটাই: সম্পদ = দায় + মূলধন। দুই পাশ সমান না হলে হিসাবে ভুল আছে, আর অ্যাপে এটা নিজে থেকেই মেলে কারণ প্রতিটি এন্ট্রি দুই পাশে বসে।

  • সম্পদ — নগদ, ব্যাংক, ঋণ, আসবাব
  • দায় — সঞ্চয়, ডিপিএস, এফডিআর
  • মূলধন — শেয়ার, পরিচালক মূলধন, সঞ্চিতি
  • সম্পদ = দায় + মূলধন

কোন সংখ্যাগুলো আগে দেখবেন

প্রথমে নগদ ও ব্যাংকের যোগফল — এটাই হাতের টাকা, আর উত্তোলন সামলানোর ক্ষমতা। তারপর বিতরণ করা ঋণ — এটাই সবচেয়ে বড় সম্পদ আর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

এরপর সদস্যের মোট জমা। ঋণ আর জমার অনুপাতই বলে দেয় সমিতি কতটা টানটান অবস্থায় আছে।

বছর ধরে তুলনা করুন

একটা স্থিতিপত্র একা খুব কিছু বলে না। গত বছরের সাথে পাশাপাশি রাখলে বোঝা যায় — সম্পদ বাড়ছে কি, মূলধন বাড়ছে কি, নাকি শুধু দায় বাড়ছে।

শুধু দায় বাড়া মানে সদস্যের জমা বাড়ছে কিন্তু সমিতির নিজের শক্তি বাড়ছে না। এটা বৃদ্ধি মনে হয়, আসলে ঝুঁকি বৃদ্ধি।

সম্পদ বাড়ছে না মূলধন বাড়ছে — এই একটা প্রশ্নের উত্তরেই সমিতির সত্যিকার স্বাস্থ্য লেখা থাকে।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store