← ব্লগে ফিরে যান
হিসাবের প্রাথমিক পাঠ

ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ও মিলকরণ

একাধিক ব্যাংক হিসাব, বিকাশ আর নগদ — আলাদা রাখার কারণ আর ব্যাংক স্টেটমেন্টের সাথে মেলানোর নিয়ম।

ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ও মিলকরণ

সমিতির টাকা একাধিক জায়গায় থাকে — হাতে নগদ, এক বা দুটো ব্যাংক হিসাবে, আর বিকাশে। এগুলো আলাদা করে না রাখলে কোথায় কত আছে তা কেউ জানে না, আর তখন উত্তোলনের চাপে বিপদ হয়।

আলাদা রাখার কারণ

প্রতিটি মাধ্যমের নিজের ব্যালেন্স থাকে, আর এন্ট্রি করার সময় টাকা কোন মাধ্যমে ঢুকল বা বের হলো তা বেছে দিতে হয়। তাই প্রতিটির স্থিতি সবসময় আলাদা করে জানা যায়।

এতে দুটো লাভ — কোন হিসাবে টাকা ফুরিয়ে আসছে তা আগে জানা যায়, আর প্রতিটি হিসাব আলাদা করে মেলানো যায়।

ব্যাংকের সাথে মেলানো

মাসে একবার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট নিয়ে অ্যাপের ব্যাংক খতিয়ানের সাথে পাশাপাশি রাখুন। দুটোর পার্থক্য সাধারণত তিনটে কারণে হয় — ব্যাংকের চার্জ বসেছে কিন্তু হিসাবে তোলা হয়নি, সুদ জমা হয়েছে কিন্তু তোলা হয়নি, বা কোনো জমা এখনো ব্যাংকে পৌঁছায়নি।

প্রথম দুটোর জন্য এন্ট্রি বসিয়ে দিন। তৃতীয়টা সময়ের ব্যাপার, পরের মাসে মিলে যাবে।

  • ব্যাংক চার্জ — এন্ট্রি বসান
  • ব্যাংকের দেওয়া সুদ — আয় হিসেবে বসান
  • পথে থাকা জমা — পরের মাসে মেলে
  • অমিল থাকলে খতিয়ান ধরে তারিখ খুঁজুন

বিকাশের বেলায়

বিকাশে আসা জমা সাথে সাথে এন্ট্রি করুন — না করলে সদস্য টাকা পাঠিয়ে দিন কাটিয়ে দেন আর তাঁর স্থিতি বাড়ে না। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বিকাশের মেসেজ দেখে এন্ট্রি দিয়ে দিন।

আর বিকাশ থেকে নগদে বা ব্যাংকে টাকা সরালে সেটাও এন্ট্রি করতে হয় — নইলে দুই জায়গার স্থিতিই ভুল দেখাবে।

নগদ, ব্যাংক আর বিকাশ — তিনটে আলাদা রাখলে কোথায় কত আছে তা কখনো অনুমানের বিষয় থাকে না।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store