সমিতির হিসাব নিয়ে সন্দেহের বড় কারণ একটাই — সদস্য নিজের হিসাব নিজে দেখতে পান না। তাঁকে বিশ্বাস করতে হয় যে খাতায় যা লেখা আছে তা ঠিক। সদস্যের নিজের অ্যাপ এই জায়গাটাই বদলে দেয়।
সদস্য যা দেখতে পান
নিজের নম্বর দিয়ে লগইন করে তিনি নিজের স্টেটমেন্ট দেখেন — কোন তারিখে কত জমা দিয়েছেন, কত উত্তোলন করেছেন আর এখন স্থিতি কত। লোন থাকলে বাকি আসল ও পরের কিস্তির তারিখও।
সাথে সমিতির নোটিশ — সভার তারিখ, নিয়ম বদল বা ছুটির খবর। মালিক নোটিশ বোর্ডে যা লেখেন, সদস্যের অ্যাপে সেটা পৌঁছে যায়।
- নিজের স্টেটমেন্ট ও চলতি স্থিতি
- লোনের বাকি ও কিস্তির তারিখ
- সমিতির নোটিশ
- নিজের প্রোফাইল
যা তিনি পারেন না — এবং কেন
সদস্য কোনো এন্ট্রি করতে পারেন না, কোনো অঙ্ক বদলাতে পারেন না, অন্য সদস্যের হিসাব দেখতে পারেন না। এটা সীমাবদ্ধতা নয়, নকশা — হিসাব লেখার দায়িত্ব সমিতির, দেখার অধিকার সদস্যের।
অনলাইন জমার সুবিধা চালু থাকলে তিনি নিজে টাকা পাঠাতে পারেন, কিন্তু সেটাও হিসাবে বসে সমিতির অনুমোদনের পথ ধরে — তিনি নিজে ব্যালেন্স বাড়িয়ে দিতে পারেন না।
মালিকের জন্য এতে লাভ কী
প্রশ্ন কমে যায়। যিনি নিজের হিসাব যখন খুশি দেখতে পান, তিনি আর ফোন করে জিজ্ঞেস করেন না। আর সভায় হিসাব নিয়ে তর্ক হলে প্রমাণ সবার ফোনেই থাকে।
সদস্যকে লগইন দিতে তাঁর নম্বরটা ঠিক থাকতে হবে — এই কারণেই ভর্তির সময় নম্বর যাচাই করে নেওয়া এত জরুরি।
দেখার অধিকার দিলে সন্দেহ কমে। আর সন্দেহ কমলে সদস্য জমা বাড়ান — এটাই সমিতির আসল বৃদ্ধি।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store