খতিয়ান হলো প্রতিটি খাতের নিজের ইতিহাস। নগদের খতিয়ান খুললে দেখবেন কোন তারিখে কত ঢুকল, কত বের হলো আর প্রতিটি লেনদেনের পর জের কত ছিল। গরমিল খোঁজার সবচেয়ে কাজের হাতিয়ার এটাই।
তিনটে কলামই আসল
ডেবিট, ক্রেডিট আর জের। নগদের মতো সম্পদের খাতে টাকা ঢুকলে ডেবিট, বের হলে ক্রেডিট। সঞ্চয়ের মতো দায়ের খাতে উল্টো — সদস্য জমা দিলে দায় বাড়ে, তাই ক্রেডিট।
জের কলামটা ক্রমে চলে, তাই যেকোনো তারিখে স্থিতি কত ছিল তা পড়ে নেওয়া যায়। এই একটা জিনিসই পুরনো কোনো দিনের গরমিল ধরতে কাজে লাগে।
গরমিল খুঁজবেন যেভাবে
প্রথমে কোন তারিখ পর্যন্ত হিসাব মিলত তা বের করুন — জের ধরে পিছিয়ে যান। যেদিন থেকে মেলা বন্ধ হলো, গরমিল সেদিনই।
তারপর ওই দিনের এন্ট্রিগুলো দেখুন। সাধারণত একটা অঙ্ক ভুল ঘরে বসেছে, বা একই এন্ট্রি দুবার বসেছে, বা কোনো এন্ট্রি বাদ পড়েছে। তিনটের বাইরে চতুর্থ কারণ বিরল।
- জের ধরে পিছিয়ে গিয়ে ভুলের দিন বের করুন
- ঐ দিনের এন্ট্রিগুলো এক এক করে দেখুন
- ভুল ঘর, দুবার এন্ট্রি, বা বাদ পড়া — তিনটে সম্ভাবনা
- ডিলিট রেকর্ড রিপোর্টও দেখুন
কোন খতিয়ান কখন দেখবেন
ক্যাশ না মিললে নগদের খতিয়ান। ব্যাংক স্টেটমেন্টের সাথে না মিললে ব্যাংকের খতিয়ান। কোনো সদস্য অভিযোগ করলে তাঁর নিজের হিসাবের খতিয়ান।
আর মাসে একবার আয় ও খরচের বড় খাতগুলোর খতিয়ান দেখুন — কী কী ঢুকেছে তা পড়লে ভুল খাতে বসানো এন্ট্রি ধরা পড়ে।
খতিয়ান পড়তে শেখা মানে নিজের হিসাবের উপর নিয়ন্ত্রণ পাওয়া — তখন আর কাউকে জিজ্ঞেস করতে হয় না।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store