রেওয়ামিল বা ট্রায়াল ব্যালেন্সের কাজ একটাই — মোট ডেবিট আর মোট ক্রেডিট সমান কি না দেখা। সমান হলে হিসাবের গাণিতিক ভিত ঠিক আছে। না মিললে কোথাও একটা এন্ট্রি অসম্পূর্ণ বা ভুল।
প্রথমে পার্থক্যটা দেখুন
পার্থক্যের অঙ্কটাই প্রায়ই সূত্র দেয়। পার্থক্য যদি কোনো একটা লেনদেনের অঙ্কের সমান হয়, তাহলে সেই লেনদেনের এক পাশ বসেনি। পার্থক্য দ্বিগুণ হলে এক পাশে ডেবিটের জায়গায় ক্রেডিট বসেছে।
পার্থক্য ৯ দিয়ে ভাগ গেলে সংখ্যার অঙ্ক উল্টে গেছে — ৫৪০ লেখার বদলে ৪৫০। এটা হাতে লেখা হিসাবের সবচেয়ে পরিচিত ভুল।
- পার্থক্য = কোনো লেনদেনের অঙ্ক → এক পাশ বসেনি
- পার্থক্য = দ্বিগুণ → ভুল পাশে বসেছে
- পার্থক্য ৯ দিয়ে ভাগ যায় → অঙ্ক উল্টেছে
- ছোট পার্থক্য → যোগফলে ভুল
তারপর সময় ধরে সংকুচিত করুন
মাস ধরে রেওয়ামিল বের করুন। যে মাসে প্রথম না মিলল, ভুলটা সেই মাসে। তারপর সপ্তাহ, তারপর দিন — এভাবে কমিয়ে আনলে একশো এন্ট্রি দেখতে হয় না, পাঁচটা দেখলেই হয়।
এই পদ্ধতিটাই সবচেয়ে দ্রুত। পুরো বছরের এন্ট্রি এক এক করে দেখা শুরু করলে দিন চলে যায়।
অ্যাপে এটা কম হয়, কিন্তু শূন্য নয়
অ্যাপে প্রতিটি এন্ট্রি দুই পাশে একসাথে বসে, তাই এক পাশ বাদ পড়ার ভুল হয় না। রেওয়ামিল না মেলার সম্ভাবনা তাই অনেক কম।
তবে ম্যানুয়াল জার্নাল লিখলে সেখানে হাতে ভুল হতে পারে। তাই ম্যানুয়াল এন্ট্রিগুলো আলাদা করে একবার দেখে নিন — সন্দেহের তালিকায় ওগুলোই সবার আগে।
পার্থক্যের অঙ্কটাই আপনার সবচেয়ে বড় সূত্র। সেটা দেখে তারপর সময় ধরে ছোট করে আনুন।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store