← ব্লগে ফিরে যান
হিসাবের প্রাথমিক পাঠ

লাভ-ক্ষতি হিসাব — কোন লাইন কী বলে

সমিতি সত্যিই লাভ করছে কি না বোঝার একমাত্র জায়গা এই রিপোর্ট। প্রতিটি লাইনের মানে।

লাভ-ক্ষতি হিসাব — কোন লাইন কী বলে

সমিতির ক্যাশে টাকা থাকা মানে লাভ নয় — ওটা হতে পারে সদস্যদের জমা। লাভ কত তা জানার একমাত্র জায়গা লাভ-ক্ষতি হিসাব, যেখানে আয় থেকে খরচ বাদ দিয়ে অবশিষ্টটা দেখানো হয়।

আয়ের দিকে কী থাকে

ঋণের মুনাফা সবচেয়ে বড় অংশ। সাথে থাকে ভর্তি ফি ও অন্যান্য ফি, দেরির জরিমানা, আর বিনিয়োগ বা ব্যাংকে রাখা টাকার আয়।

যা থাকবে না: সদস্যের জমা। সঞ্চয়, ডিপিএস বা এফডিআর আয় নয় — ওগুলো দায়, আর স্থিতিপত্রে যায়। এই একটা ভুলই সমিতিকে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্ত করে।

খরচের দিকে কী থাকে

সদস্যের সঞ্চয় ও ডিপিএসে দেওয়া মুনাফা — এটাই সাধারণত সবচেয়ে বড় খরচ। তারপর স্টাফের বেতন, যাতায়াত, অফিস ভাড়া, SMS খরচ ও অ্যাপের সাবস্ক্রিপশন।

আর থাকে লোন লস প্রভিশন — যে ঋণ সম্ভবত ফিরবে না তার জন্য আগাম সরিয়ে রাখা। এটা না রাখলে লাভ বেশি দেখায়, আর পরে খেলাপি স্বীকার করতে গিয়ে একবারে বড় ধাক্কা লাগে।

  • প্রদেয় মুনাফা — সঞ্চয় ও ডিপিএসে
  • বেতন, যাতায়াত, ভাড়া
  • SMS ও সাবস্ক্রিপশন
  • লোন লস প্রভিশন

অবশিষ্টটা দিয়ে কী করবেন

আয় থেকে খরচ বাদ দিয়ে যা থাকে, সেটাই সমিতির আসল লাভ — আর লভ্যাংশ বণ্টনের ভিত্তি এটাই। এর চেয়ে বেশি বিতরণ করলে সেটা মূলধন বা সদস্যের জমা থেকে যাচ্ছে।

পুরোটা বিতরণ না করে একটা অংশ সঞ্চিতিতে রাখুন। খারাপ বছরে এই সঞ্চিতিই সমিতিকে টিকিয়ে রাখে।

ক্যাশে টাকা আছে মানে লাভ হয়েছে — এই ভুল ধারণাটাই সবচেয়ে বেশি সমিতি ডুবিয়েছে। রিপোর্ট দেখুন, ক্যাশ নয়।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store