সমিতি ছোট থাকতে এক তালিকাতেই কাজ চলে। সদস্য একশো ছাড়ালে সেই তালিকা শত্রু হয়ে যায় — আদায়কারী স্ক্রল করতে করতে সময় নষ্ট করেন, আর কাকে বাদ দিলেন তা টেরই পান না। এলাকা বা গ্রুপে ভাগ করাই এর সহজ সমাধান।
আদায়ের তালিকা ছোট হয়
এলাকা বাছলে শুধু ওই এলাকার সদস্যরাই তালিকায় আসেন। আদায়কারী যে পাড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন, তাঁর পর্দায় ঠিক সেই পাড়ার নামগুলোই — কাউকে বাদ পড়তে হয় না।
সাথে কম্বাইন্ড আদায় শীট ব্যবহার করলে একই সদস্যের সঞ্চয়, ডিপিএস কিস্তি আর লোনের কিস্তি একসাথে এক পর্দায় তুলে নেওয়া যায়।
দায়িত্ব ভাগ পরিষ্কার হয়
কোন এলাকায় কে আদায় করবেন তা ঠিক থাকলে আদায় না হওয়ার জবাব চাওয়ার জায়গা থাকে। এরিয়া ভিত্তিক সদস্য তালিকা আর আদায়কারী পারফরম্যান্স রিপোর্ট পাশাপাশি দেখলে ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যায়।
কোন এলাকায় আদায় কম, কোথায় খেলাপি জমছে — এটাও এলাকা ধরেই ধরা পড়ে। পুরো সমিতির গড় দেখে এই সমস্যা কখনো চোখে পড়ে না।
- এরিয়া ভিত্তিক সদস্য তালিকা
- এলাকাভিত্তিক আদায় তালিকা ও আদায় শীট
- আদায়কারী পারফরম্যান্স — কে কত তুলছেন
- অনিয়মিত সদস্য তালিকা, এলাকা ধরে
কীভাবে ভাগ করবেন
ভৌগোলিক নামই সবচেয়ে ভালো কাজ করে — গ্রাম, পাড়া, বাজার বা ওয়ার্ড। কারণ আদায়কারী হাঁটেন ভূগোল ধরে, বর্ণমালা ধরে নয়।
একজন আদায়কারী এক দিনে যতটা ঘুরতে পারেন, একটা এলাকা তার চেয়ে বড় করবেন না। বড় হয়ে গেলে ভেঙে দুটো করুন।
এলাকা ভাগ করা একদিনের কাজ, কিন্তু এর সুফল প্রতিদিনের আদায়ে পাওয়া যায়।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store