খাতায় সাধারণত এক জায়গায় লেখা হয় — আজ এত টাকা জমা হলো। ডাবল-এন্ট্রিতে প্রতিটি লেনদেন দুই জায়গায় বসে: টাকা কোথা থেকে এল আর কোথায় গেল। শুনতে বাড়তি কাজ মনে হয়, কিন্তু এটাই হিসাব মেলানোর সব ঝামেলা শেষ করে দেয়।
একটা উদাহরণ
একজন সদস্য পাঁচশো টাকা সঞ্চয় জমা দিলেন। এক দিকে সমিতির নগদ পাঁচশো বাড়ল, অন্য দিকে সদস্যের প্রতি সমিতির দায় পাঁচশো বাড়ল। দুই দিক সমান, তাই হিসাব ভারসাম্যে থাকল।
লোন বিতরণ করলে উল্টো — নগদ কমল, আর ঋণ হিসেবে সম্পদ বাড়ল। প্রতিটি লেনদেনেই দুই পাশ সমান থাকে, আর সেজন্যই রেওয়ামিলে মোট ডেবিট আর মোট ক্রেডিট মেলে।
এটা না থাকলে কী হারায়
শুধু জমা-খরচের তালিকা দিয়ে স্থিতিপত্র বানানো যায় না — কারণ সম্পদ আর দায়ের ছবিটাই তৈরি হয় না। আর লাভ-ক্ষতি হিসাবও অনুমানের উপর দাঁড়ায়।
সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো ভুল ধরা পড়ে না। এক পাশের হিসাবে একটা অঙ্ক ভুল বসালে কেউ জানবে না; দুই পাশ থাকলে মোট মেলে না আর ভুলটা চিৎকার করে জানায়।
- রেওয়ামিল — দুই পাশ মিলল কি না
- স্থিতিপত্র — সম্পদ ও দায়ের ছবি
- লাভ-ক্ষতি হিসাব — আসল লাভ কত
- সাধারণ খতিয়ান — প্রতিটি খাতের ইতিহাস
হাতে করতে হয় না
সমিতি কিপার লাইটে এটা নিজে থেকেই হয়। আপনি শুধু জমা, উত্তোলন, কিস্তি বা খরচের এন্ট্রি করেন — দুই দিকের হিসাব অ্যাপ বসিয়ে দেয়।
তাই ডেবিট-ক্রেডিট না জেনেও ডাবল-এন্ট্রির সব সুবিধা পাওয়া যায়। আর যিনি জানেন, তিনি খতিয়ান ও রেওয়ামিল খুলে সবটা মিলিয়ে দেখতে পারেন।
ডাবল-এন্ট্রি বাড়তি পরিশ্রম নয় — এটা সেই ব্যবস্থা যা ভুল হলে নিজেই জানিয়ে দেয়।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store