← ব্লগে ফিরে যান
হিসাবের প্রাথমিক পাঠ

হিসাবের চার্ট (COA) — খাত সাজানোর নিয়ম

সম্পদ, দায়, আয়, খরচ — চারটে মূল ভাগে খাত সাজানো। নতুন খাত কখন বানাবেন আর কখন নয়।

হিসাবের চার্ট (COA) — খাত সাজানোর নিয়ম

হিসাবের চার্ট মানে সমিতির সব খাতের তালিকা — কোন খাত কোন ভাগে পড়ে তার ছক। এটা একবার ঠিকভাবে সাজিয়ে নিলে প্রতিটি রিপোর্ট নিজে থেকেই অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে।

চারটে মূল ভাগ

সম্পদ — যা সমিতির আছে: নগদ, ব্যাংক, বিতরণ করা ঋণ, আসবাব। দায় — যা সমিতি কাউকে দিতে বাধ্য: সদস্যের সঞ্চয়, ডিপিএস, এফডিআর। আয় — ঋণের মুনাফা, ফি, জরিমানা। খরচ — বেতন, যাতায়াত, SMS, সঞ্চয়ে দেওয়া মুনাফা।

সবচেয়ে বেশি ভুল হয় দায় আর আয়ের মধ্যে। সদস্যের জমা আয় নয়, দায় — এটা ভুলে গেলে সমিতি নিজেকে ধনী ভাবে আর অন্যের টাকা লাভ ধরে বিলিয়ে দেয়।

  • সম্পদ — নগদ, ব্যাংক, ঋণ, আসবাব
  • দায় — সঞ্চয়, ডিপিএস, এফডিআর
  • মূলধন — শেয়ার, পরিচালকের মূলধন, সঞ্চিতি
  • আয় — মুনাফা, ফি, জরিমানা
  • খরচ — বেতন, যাতায়াত, SMS, প্রদেয় মুনাফা

নতুন খাত কখন বানাবেন

যখন একটা অঙ্ক আলাদা করে জানার দরকার পড়ে। যেমন যাতায়াত খরচ যদি বড় হয়ে যায়, তাহলে সেটা আলাদা খাত হোক — নইলে বিবিধ খরচের ভেতরে লুকিয়ে থাকবে।

কিন্তু প্রতিটি ছোট খরচের জন্য আলাদা খাত বানাবেন না। পঞ্চাশটা খাতের রিপোর্ট কেউ পড়ে না, আর স্টাফ ভুল খাতে বসান।

শুরুতে যা আছে তা দিয়েই শুরু করুন

অ্যাপে একটা তৈরি চার্ট আগে থেকেই বসানো থাকে — সমিতির জন্য দরকারি খাতগুলো নিয়ে। প্রথম দিন থেকেই এটা কাজ করে, তাই হিসাববিজ্ঞান না জেনেও শুরু করা যায়।

তিন মাস চালানোর পর দেখুন কোন খাতে অনেক এন্ট্রি জমেছে আর ভেতরে কী কী মিশে আছে। তখন ভেঙে নতুন খাত বানান — অনুমান করে আগেই নয়।

খাত কম রাখুন, কিন্তু যে অঙ্ক সিদ্ধান্ত বদলায় তাকে আলাদা রাখুন — এই দুটোর ভারসাম্যই ভালো চার্ট।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store