← ব্লগে ফিরে যান
সঞ্চয় ও ঋণ

সঞ্চয়, ডিপিএস আর এফডিআর — পার্থক্য এক নজরে

তিন ধরনের সঞ্চয়ের মধ্যে কোনটা কার জন্য, সমিতির জন্য কোনটা কতটা স্থির আর কোনটায় কী ঝুঁকি।

সঞ্চয়, ডিপিএস আর এফডিআর — পার্থক্য এক নজরে

নতুন সদস্যকে বোঝাতে গেলে এই তিনটের পার্থক্য সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা হয়। সহজভাবে — সাধারণ সঞ্চয় যখন খুশি, ডিপিএস নিয়ম করে প্রতি মাসে, আর এফডিআর একবারে বড় অঙ্ক।

সদস্যের দিক থেকে

সাধারণ সঞ্চয়ে যখন দরকার তোলা যায়, তাই তরলতা সবচেয়ে বেশি — কিন্তু মুনাফাও সাধারণত কম। ডিপিএসে নিয়ম করে জমা দিতে হয়, মেয়াদ শেষে একসাথে বড় টাকা।

এফডিআরে একবারে টাকা রেখে মুনাফা পাওয়া যায় — মাসে মাসে, বা মেয়াদ শেষে। যাঁর হাতে এককালীন টাকা আছে তাঁর জন্য এটাই সবচেয়ে সহজ।

  • সাধারণ সঞ্চয় — যখন খুশি জমা ও উত্তোলন
  • ডিপিএস — নির্দিষ্ট মেয়াদে নির্দিষ্ট কিস্তি
  • এফডিআর — এককালীন আমানত, নির্দিষ্ট মেয়াদ

সমিতির দিক থেকে

সাধারণ সঞ্চয়ের টাকা যেকোনো দিন চলে যেতে পারে, তাই এর বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদি ঋণে খাটানো বিপজ্জনক। ডিপিএস ও এফডিআরের টাকা মেয়াদ পর্যন্ত থাকে, তাই ঋণে খাটানো নিরাপদ।

কিন্তু উল্টো দিকটাও আছে — মেয়াদপূর্তির দিন এগুলোর পুরো অঙ্ক একসাথে দিতে হয়। সাধারণ সঞ্চয়ে এমন একদিনের ধাক্কা থাকে না।

ভারসাম্য কীভাবে রাখবেন

তিনটেই রাখুন, কিন্তু অনুপাত দেখুন। সব টাকা এফডিআরে থাকলে মেয়াদপূর্তির মাসগুলো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে; সব সাধারণ সঞ্চয়ে থাকলে ঋণ দেওয়ার মতো স্থির টাকা থাকে না।

কোন হিসাবে কত জমেছে তা রিপোর্টে আলাদা দেখা যায়। প্রতি তিন মাসে একবার এই অনুপাতটা দেখে নিন।

তিনটের কোনোটাই অন্যটার বিকল্প নয় — তিনটে মিলিয়েই একটা সমিতির টাকার ভিত দাঁড়ায়।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store