সমিতির সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পর্দা এটাই — জমা। দিনে পঞ্চাশবার খোলা হয়, তাই এটা যত কম ধাপে শেষ হয় তত ভালো। সমিতি কিপার লাইটে সদস্য বেছে অঙ্ক লিখে সেভ করলেই জমা সম্পূর্ণ, ব্যালেন্স তখনই নতুন।
জমা বসানোর ধাপ
সদস্য বাছুন, পরিমাণ লিখুন, টাকা কোন হিসাবে ঢুকল তা বেছে দিন — নগদ, ব্যাংক বা বিকাশ। সেভ করলে সদস্যের স্থিতি বাড়ে, ক্যাশ বইতে টাকা ঢোকে আর খতিয়ানে দুই দিকেই এন্ট্রি বসে।
সাথে সাথে ডিজিটাল রসিদ তৈরি হয় আর সদস্যের নম্বরে SMS যায়। অর্থাৎ আপনার একটা ট্যাপে চারটে কাজ হয়ে যায়।
- সদস্য বাছাই → পরিমাণ → হিসাব নির্বাচন → সেভ
- নগদ / ব্যাংক / বিকাশ — প্রতিটির ব্যালেন্স আলাদা থাকে
- রসিদ তৈরি ও শেয়ার
- সদস্যকে SMS
উত্তোলন
উত্তোলনেও একই রকম — সদস্য, পরিমাণ আর কোন হিসাব থেকে টাকা যাচ্ছে। স্থিতির চেয়ে বেশি উত্তোলনের চেষ্টা করলে অ্যাপ আটকে দেয়, কারণ ঋণাত্মক সঞ্চয় বলে কিছু নেই।
উত্তোলনের রসিদও দিন — অনেক সমিতি জমার রসিদ দেয় কিন্তু উত্তোলনের দেয় না, আর পরে ঠিক এখানেই তর্ক বাঁধে।
ব্যালেন্স কেন নিজে থেকেই মেলে
প্রতিটি জমা বা উত্তোলন ডাবল-এন্ট্রিতে বসে — এক দিকে সদস্যের হিসাব, অন্য দিকে নগদ বা ব্যাংক। তাই সদস্যদের মোট স্থিতি আর সমিতির দায় সব সময় একসাথে চলে।
ফলে মাস শেষে আলাদা করে মেলানোর কাজ থাকে না। রেওয়ামিল বের করলেই দেখবেন দুই পাশ সমান।
জমা যত সহজ, আদায় তত নিয়মিত। আর প্রতিটি জমার পিছনে রসিদ ও SMS থাকলে সদস্যের আস্থা নিজে থেকেই তৈরি হয়।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store