কিছু সমিতি শুধু ঋণ দেয় না — নিজেও কিছু করে। জমি কেনে, দোকান চালায়, গরু পালে, বা কোনো প্রকল্পে টাকা খাটায়। তখন সেই প্রকল্পের নিজের হিসাব দরকার, নইলে লাভ-ক্ষতি সমিতির সাধারণ হিসাবে মিশে যায়।
আলাদা হিসাব কেন দরকার
একটা প্রকল্পে কত টাকা ঢুকল, কত খরচ হলো আর কত ফিরল — এটা আলাদা না রাখলে কেউ জানে না প্রকল্পটা লাভজনক কি না। সাধারণ হিসাবে মিশে গেলে ক্ষতির প্রকল্প বছরের পর বছর চলতে থাকে।
আর সদস্যদের টাকা একটা প্রকল্পে খাটানো হলে তাঁদের জানার অধিকার আছে সেটার ফলাফল কী। আলাদা হিসাব ছাড়া সেই জবাব দেওয়া যায় না।
- প্রকল্প ধরে বিনিয়োগ ও খরচ
- প্রকল্পের নিজের আয়
- প্রকল্প ধরে লাভ-ক্ষতি
- সদস্যদের কাছে জবাবদিহি
কাদের দরকার নেই
যে সমিতি শুধু সঞ্চয় তোলে আর ঋণ দেয়, তার এই মডিউল দরকার নেই। ঋণের হিসাব লোন মডিউলেই সম্পূর্ণ।
এটা একটা প্রিমিয়াম মডিউল — আলাদা করে কিনে চালু করতে হয়। না কিনলেও সমিতির দৈনন্দিন হিসাব পুরোপুরি চলে, তাই দরকার না হলে কেনার কোনো কারণ নেই।
প্রকল্পে হাত দেওয়ার আগে
সফটওয়্যারের চেয়ে বড় প্রশ্নটা আগে — এই প্রকল্পে সদস্যের আমানত খাটানো উচিত কি? ঋণের টাকা ফেরত আসে কিস্তিতে, আর প্রকল্পের টাকা ফেরত আসে ভাগ্যে।
তাই প্রকল্পে সদস্যদের জমার বড় অংশ নয় — সঞ্চিতি বা মূলধনের একটা অংশ দিয়ে শুরু করুন, আর কমিটির লিখিত সিদ্ধান্ত নিন।
প্রকল্প করুন ভেবে, আর করলে তার হিসাব আলাদা রাখুন — নইলে লাভ-ক্ষতি কখনো জানা যাবে না।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store