আউটস্ট্যান্ডিং মানে এখনো ফেরত না আসা ঋণের টাকা — অর্থাৎ যে টাকা সমিতির খাতায় সম্পদ হিসেবে আছে কিন্তু হাতে নেই। এই সংখ্যাটা সমিতির সবচেয়ে বড় একক সম্পদ, আর সবচেয়ে বড় ঝুঁকিও।
রিপোর্টে কী দেখবেন
সদস্য ধরে বাকি আসল, আদায় হয়ে যাওয়া অংশ আর পরের কিস্তির তারিখ। মোট সংখ্যাটা বলে কত টাকা মাঠে আছে, আর সেটাই ঋণ-আমানত অনুপাতের ভিত্তি।
শুধু মোট দেখে সন্তুষ্ট হবেন না। মোট বাড়ছে মানে ঋণ বিতরণ বাড়ছে — এটা ভালো যদি আদায়ও ঠিক থাকে, আর বিপদের লক্ষণ যদি আদায় না বাড়ে।
তিনটে প্রশ্ন নিয়ে পড়ুন
প্রথম, মোট আউটস্ট্যান্ডিং সদস্যদের মোট জমার তুলনায় কত শতাংশ। দ্বিতীয়, এর কত অংশ সময়মতো আদায় হচ্ছে আর কত অংশ বকেয়া। তৃতীয়, সবচেয়ে বড় কয়েকজনের কাছে কত শতাংশ আটকে আছে।
তৃতীয় প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত হয়। পাঁচজনের কাছে যদি মোট ঋণের অর্ধেক থাকে, তাহলে সমিতির ভাগ্য ওই পাঁচজনের হাতে — টপ ঋণগ্রহীতার তালিকা দেখে এটা যাচাই করুন।
- মোট আউটস্ট্যান্ডিং ও জমার অনুপাত
- সময়মতো আদায় বনাম বকেয়া
- টপ ঋণগ্রহীতাদের কাছে কত শতাংশ
- পণ্য ধরে ভাগ — কোন স্কিমে বেশি আটকে
সংখ্যাটা দিয়ে সিদ্ধান্ত নিন
আউটস্ট্যান্ডিং বেড়ে গিয়ে হাতের টাকা কমে গেলে নতুন ঋণ থামান — এটাই সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে। আর বকেয়ার অংশ বাড়তে থাকলে আদায়ে জোর দিন, নতুন বিতরণে নয়।
লোন লস প্রভিশন রাখার কথাও এখানেই আসে। যে টাকা সম্ভবত ফিরবে না, সেটা আগেই ক্ষতি ধরে রাখলে হিসাব সত্যি কথা বলে।
আউটস্ট্যান্ডিং সম্পদ, কিন্তু হাতের টাকা নয়। এই পার্থক্যটা ভুললে সমিতি কাগজে ধনী আর বাস্তবে নিঃস্ব হয়।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store