← ব্লগে ফিরে যান
সঞ্চয় ও ঋণ

নির্ধারিত সঞ্চয় ঠিক করলে আদায় বাড়ে যেভাবে

সদস্য মাসে কত জমা দেবেন তা আগে থেকে ঠিক করা থাকলে বাকি হিসাব করা যায়, তাগাদা দেওয়া যায় আর আদায় বাড়ে।

নির্ধারিত সঞ্চয় ঠিক করলে আদায় বাড়ে যেভাবে

যদি ঠিক না থাকে কে কত দেবেন, তাহলে কেউ কম দিলেও সেটা বাকি নয় — কারণ বাকির হিসাবই নেই। নির্ধারিত সঞ্চয় চালু করলে প্রতিটি সদস্যের একটা লক্ষ্য থাকে, আর লক্ষ্য থাকলেই ঘাটতি মাপা যায়।

নির্ধারিত সঞ্চয় কী করে

প্রতিটি সদস্যের জন্য আপনি ঠিক করে দেন তিনি প্রতি দিন, সপ্তাহ বা মাসে কত জমা দেবেন। এটা ঐচ্ছিক — চাইলে চালু করবেন, না চাইলে না।

চালু থাকলে আদায়ের তালিকায় প্রত্যেকের নামের পাশে কত পড়েছে তা দেখা যায়, আর কে কম দিলেন তা সাথে সাথে বোঝা যায়। আদায়কারীকে আর মনে রাখতে হয় না।

এতে তিনটে জিনিস বদলায়

প্রথম, অনিয়মিত সদস্য তালিকা অর্থপূর্ণ হয় — কারণ অনিয়মিত মানে নির্ধারিত অঙ্ক না দেওয়া। দ্বিতীয়, কিস্তির রিমাইন্ডার SMS পাঠানো যায় নাম ধরে। তৃতীয়, সঞ্চয় ক্যাপাসিটি রিপোর্ট বাস্তব হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় বদল মানসিক। সদস্য জানেন তাঁর একটা অঙ্ক আছে, আর সেটা না দিলে কেউ খেয়াল করবে। এই একটা জিনিসই আদায় বাড়িয়ে দেয়।

  • কে কত কম দিলেন — তালিকায় দেখা যায়
  • অনিয়মিত সদস্য চেনা যায়
  • ফিল্টার করে রিমাইন্ডার SMS
  • সঞ্চয় ক্যাপাসিটি রিপোর্ট কাজের হয়

অঙ্ক ঠিক করার নিয়ম

সদস্যের আয় অনুযায়ী ঠিক করুন, সমিতির ইচ্ছা অনুযায়ী নয়। যে অঙ্ক তিনি দিতে পারবেন না, সেটা ঠিক করলে তিনি প্রথম মাসেই অনিয়মিত হয়ে যাবেন আর তাগাদা অর্থহীন হয়ে পড়বে।

কম দিয়ে শুরু করুন, ছয় মাস পর বাড়ানোর কথা বলুন। অভ্যাস তৈরি হওয়াটা অঙ্কের চেয়ে বড়।

লক্ষ্য না থাকলে ঘাটতি নেই, আর ঘাটতি না থাকলে তাগাদাও নেই। নির্ধারিত সঞ্চয় এই শৃঙ্খলাটাই ফিরিয়ে আনে।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store