← ব্লগে ফিরে যান
সঞ্চয় ও ঋণ

লোন রি-শিডিউল কখন করবেন, কখন নয়

কিস্তির ছক বদলে দিলে সদস্য টিকে যান — কিন্তু ভুল সময়ে করলে সমিতি ঠকে। সীমারেখাটা কোথায়।

লোন রি-শিডিউল কখন করবেন, কখন নয়

সদস্য কিস্তি দিতে পারছেন না। দুটো পথ — চাপ দিয়ে আদায় করা, বা কিস্তির ছকটা বদলে তাঁর সামর্থ্যের মাপে নিয়ে আসা। দ্বিতীয়টাই রি-শিডিউল, আর এটা সঠিক সময়ে করলে টাকা ফেরে, ভুল সময়ে করলে টাকা হারায়।

কখন করবেন

যখন সমস্যাটা সাময়িক আর বাস্তব — ফসল নষ্ট হয়েছে, অসুখ হয়েছে, ব্যবসায় সাময়িক মন্দা। সদস্যের আয়ের পথ এখনো আছে, শুধু এই কয়েক মাস কিস্তির অঙ্কটা বেশি পড়ে যাচ্ছে।

এমন ক্ষেত্রে মেয়াদ বাড়িয়ে কিস্তি কমিয়ে দিলে তিনি নিয়মিত হয়ে যান। কিস্তি ছোট হলে দেওয়া সহজ, আর নিয়মিত ছোট আদায় অনিয়মিত বড় আদায়ের চেয়ে ভালো।

কখন করবেন না

যখন সদস্যের আয়ের পথটাই বন্ধ হয়ে গেছে, বা তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে দিচ্ছেন না। তখন রি-শিডিউল মানে শুধু সমস্যাটা পিছিয়ে দেওয়া — আর ছয় মাস পর একই সমস্যা আরও বড় হয়ে ফেরে।

আর একই লোন বারবার রি-শিডিউল করবেন না। দুইবারের বেশি হলে সেটা আর ঋণ নয়, একটা ক্ষতি যেটা স্বীকার করা হচ্ছে না।

  • করবেন — সাময়িক ও বাস্তব সমস্যা
  • করবেন — আয়ের পথ এখনো আছে
  • করবেন না — ইচ্ছাকৃত অনাদায়
  • করবেন না — একই লোনে তৃতীয়বার

করলে যা করতে হবে

কমিটির সিদ্ধান্ত নিন আর কার্যবিবরণীতে তুলুন — কারণসহ। অ্যাপে রি-শিডিউল করলে নতুন কিস্তির ছক তৈরি হয়, আর পুরনো ইতিহাস থেকে যায়।

সদস্যকে নতুন ছকটা বুঝিয়ে দিন আর জামিনদারকেও জানান। জামিনদার না জানলে পরে তিনি দায় অস্বীকার করতে পারেন।

রি-শিডিউল একটা সুযোগ, ক্ষমা নয়। যাঁর ফেরার ইচ্ছা আছে তাঁকে দিন, যাঁর নেই তাঁকে নয়।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store