লোন দেওয়ার আগে একটা পণ্য বা স্কিম বানিয়ে নিলে প্রতিবার আলাদা করে হিসাব করতে হয় না — সদস্য বাছুন, অঙ্ক দিন, বাকিটা স্কিম থেকেই বসে। আর সবার জন্য একই নিয়ম থাকায় পক্ষপাতের প্রশ্ন ওঠে না।
যা ঠিক করতে হবে
মুনাফার হার, কত মেয়াদে শোধ হবে, কিস্তি সাপ্তাহিক না মাসিক, সার্ভিস চার্জ কত আর দেরির জরিমানা কত — এই পাঁচটা। একবার ঠিক করে নিলে প্রতিটি লোন একই ছকে চলে।
একাধিক পণ্য বানানো যায় — যেমন ছোট ব্যবসার জন্য ছয় মাসের, আর গরু কেনার জন্য দুই বছরের। কিন্তু শুরুতে দুই-তিনটের বেশি বানাবেন না।
- মুনাফার হার ও হিসাবের পদ্ধতি
- মেয়াদ ও কিস্তির সংখ্যা
- কিস্তির ধরন — সাপ্তাহিক / মাসিক
- সার্ভিস চার্জ
- দেরির জরিমানা
স্কিম ছাড়াও হিসাব খোলা যায়
কোনো পুরনো লোন খাতা থেকে তুলছেন যেটা কোনো স্কিমে পড়ে না — তাতেও সমস্যা নেই। স্কিম ছাড়াই হিসাব খুলে বাকি আসল, কিস্তির অঙ্ক আর পরের কিস্তির তারিখ বসিয়ে দেওয়া যায়।
এটা রূপান্তরের সময় সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। পুরনো সব লোনকে নতুন স্কিমে জোর করে ফেলার দরকার নেই।
হার ঠিক করার আগে
হার এমন হতে হবে যা দিয়ে সঞ্চয়ের মুনাফা, পরিচালনার খরচ আর খেলাপির ক্ষতি — তিনটেই পোষায়। শুধু সঞ্চয়ের মুনাফার চেয়ে বেশি হলেই যথেষ্ট নয়।
পণ্য-ভিত্তিক লাভের রিপোর্ট ছয় মাস পর দেখুন। কোনো পণ্যে লাভ না থাকলে হার বাড়ান বা সেটা বন্ধ করুন — অনুমানে চালিয়ে যাবেন না।
স্কিম একবার ঠিক করলে প্রতিটি লোন নিজে থেকেই নিয়মে চলে — আর নিয়মে চললে বিতর্ক হয় না।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store