লোন দেওয়ার কাজটা এক ধাপে সারা উচিত নয়। আবেদন, অনুমোদন আর বিতরণ — তিনটে আলাদা ধাপ থাকলে প্রতিটি ধাপে একটা করে প্রশ্ন করার সুযোগ থাকে। আর এই প্রশ্নগুলোই সমিতিকে খেলাপি থেকে বাঁচায়।
ধাপ ১: আবেদন
সদস্য কত চান, কী কাজে, আর কীভাবে শোধ করবেন — এই তিনটে লিখে নিন। শোধের পরিকল্পনা না থাকলে আবেদনটাই অসম্পূর্ণ।
সাথে জামিনদার ও জামানতের তথ্য নিন। অ্যাপে এগুলো লিখে রাখার ঘর আছে, আর পরে আদায়ে সমস্যা হলে এই রেকর্ডই কাজে লাগে।
ধাপ ২: অনুমোদন
অনুমোদনের আগে সদস্যের নিজের ইতিহাস দেখুন — তাঁর সঞ্চয় কত, আগের লোন কীভাবে শোধ করেছেন, কখনো খেলাপি হয়েছেন কি না। পাসবই আর তাঁর লেনদেনের ইতিহাসে সবটাই আছে।
অনুমোদন একজনের হাতে না রেখে কমিটির সিদ্ধান্তে রাখুন, আর সিদ্ধান্তটা কার্যবিবরণীতে তুলুন। বড় অঙ্কের লোনে এটা সবচেয়ে বেশি দরকার।
- সদস্যের সঞ্চয় ও জমার নিয়মিততা
- আগের লোনের শোধের ইতিহাস
- চলতি লোন বাকি আছে কি না
- জামিনদারের সামর্থ্য
- কমিটির সিদ্ধান্ত লিখিত
ধাপ ৩: বিতরণ
অ্যাপে বিতরণ এন্ট্রি করলে টাকা ক্যাশ বা ব্যাংক থেকে বের হয়, লোন হিসাব খোলে আর কিস্তির ছক তৈরি হয়ে যায় — পরের কিস্তির তারিখসহ।
বিতরণের রসিদ দিন আর সদস্যকে কিস্তির ছকটা বুঝিয়ে দিন। কত কিস্তি, প্রতি কিস্তিতে কত, আর শেষ কিস্তি কবে — এই তিনটে তিনি যেন মুখস্থ জানেন।
তিন ধাপে তিনটে প্রশ্ন — কত, কেন, আর কীভাবে ফিরবে। তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর না পেলে লোন দেবেন না।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store