কিস্তি আদায় সমিতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৈনন্দিন কাজ — এখান থেকেই টাকা ফিরে আসে। তাই এই এন্ট্রিটা যত দ্রুত আর যত নির্ভুল হবে, তত ভালো।
এন্ট্রি কীভাবে হয়
সদস্য বাছুন, কিস্তির অঙ্ক আসে নিজে থেকেই, টাকা কোন হিসাবে ঢুকল তা বেছে সেভ করুন। আদায় হওয়া টাকা নিয়ম অনুযায়ী আসল ও মুনাফায় ভাগ হয়ে যায়, আপনাকে হিসাব করতে হয় না।
কম্বাইন্ড আদায় শীট ব্যবহার করলে একই সদস্যের সঞ্চয়, ডিপিএস কিস্তি আর লোনের কিস্তি একসাথে এক পর্দায় নেওয়া যায় — মাঠে এটাই সবচেয়ে দ্রুত।
আংশিক কিস্তি নিলে
সদস্য পুরো কিস্তি দিতে না পারলে যা আছে তা নিন — কিছু না নেওয়ার চেয়ে ভালো। বাকিটা বকেয়া হিসেবে থেকে যায় আর পরের বার তালিকায় দেখা যায়।
কিন্তু এটাকে অভ্যাস হতে দেবেন না। একই সদস্য তিনবার আংশিক দিলে সেটা সামর্থ্যের সমস্যা — তখন কিস্তি রি-শিডিউল করার কথা ভাবুন, বকেয়া জমতে দেবেন না।
- পুরো না পেলে আংশিক নিন
- বাকিটা বকেয়ায় থেকে যায়
- বারবার আংশিক হলে রি-শিডিউল ভাবুন
- প্রতিটি আদায়ে রসিদ ও SMS
দিন শেষে মেলান
আজকের মোট আদায় পর্দাতেই থাকে — মাঠ থেকে ফিরে হাতের টাকার সাথে মিলিয়ে নিন। আদায়কারীর ওয়ালেট থেকে অফিসে হস্তান্তর করলে টাকা ক্যাশ বইতে ঢোকে।
এই এক মিনিটের কাজটা প্রতিদিন করলে গরমিল সেদিনই ধরা পড়ে। মাস শেষে ধরা পড়লে কোন দিনের ভুল তা আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
আদায়ের শক্তি নিয়মিততায়। প্রতিদিন তালিকা ধরে যান, প্রতিদিন মিলিয়ে নিন — বকেয়া জমার সুযোগই পায় না।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store