← ব্লগে ফিরে যান
সঞ্চয় ও ঋণ

খেলাপি, এজিং আর PAR — ঝুঁকি মাপার তিন হিসাব

কে খেলাপি, কত দিনের খেলাপি আর পুরো পোর্টফোলিওর কত শতাংশ ঝুঁকিতে — তিনটে আলাদা প্রশ্নের তিনটে উত্তর।

খেলাপি, এজিং আর PAR — ঝুঁকি মাপার তিন হিসাব

ঋণের ঝুঁকি মাপতে একটা সংখ্যায় কাজ হয় না। কে বাকি রেখেছেন সেটা এক প্রশ্ন, কত দিন ধরে রেখেছেন সেটা আরেক, আর পুরো সমিতির কত শতাংশ টাকা ঝুঁকিতে সেটা তৃতীয়। তিনটের তিনটে রিপোর্ট আছে।

খেলাপি তালিকা: কে

যাঁদের কিস্তি নির্ধারিত সময়ে আসেনি, তাঁদের নাম। এটাই সবচেয়ে সরাসরি তালিকা — আদায়কারীকে হাতে ধরিয়ে দেওয়ার মতো।

তালিকাটা ছোট রাখার একমাত্র উপায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। এক কিস্তি বাকি পড়তেই ফোন করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরের দিনই টাকা আসে।

লোন এজিং: কত দিন

এজিং রিপোর্ট বকেয়াকে সময় ধরে ভাগ করে — এক মাসের বকেয়া, তিন মাসের, ছয় মাসের, এক বছরের। এই ভাগটা জরুরি, কারণ যত পুরনো বকেয়া তত কম ফেরার সম্ভাবনা।

এক মাসের বকেয়া প্রায় সবসময় ফেরে, এক বছরের প্রায় কখনো নয়। তাই এজিং দেখে বুঝবেন কোন টাকা নিয়ে এখনো আশা আছে আর কোনটাকে ক্ষতি ধরে নেওয়া উচিত।

  • ১–৩০ দিন — তাগাদায় ফেরে
  • ৩১–৯০ দিন — চাপ দরকার, জামিনদারকে জানান
  • ৯১–১৮০ দিন — রি-শিডিউল বা জামানত
  • ১৮০+ দিন — প্রভিশন রাখুন, আইনি পথ ভাবুন

PAR: কত শতাংশ ঝুঁকিতে

পোর্টফোলিও ঝুঁকি বা PAR বলে মোট বিতরণ করা ঋণের কত শতাংশে কিস্তি বাকি পড়েছে। এটাই একমাত্র সংখ্যা যেটা দিয়ে নিজের সমিতিকে গত বছরের সাথে বা অন্য সমিতির সাথে তুলনা করা যায়।

সংখ্যাটা প্রতি মাসে লিখে রাখুন। বাড়ছে কি কমছে — এই প্রবণতাটা একক মাসের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি কথা বলে।

তিনটে রিপোর্ট তিনটে কাজের জন্য — তালিকা ধরে তাগাদা, এজিং ধরে অগ্রাধিকার, আর PAR ধরে প্রবণতা।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store