সব সদস্যের টাকার ধরন এক নয়। যিনি দোকান চালান তিনি রোজ দিতে পারেন, যিনি চাকরি করেন তিনি মাসে একবার। একটাই স্কিম রাখলে একদল সদস্য বাদ পড়ে যান — তাই একাধিক স্কিম রাখা যায়।
কয়েক ধরনের স্কিম
দৈনিক জমার স্কিম বাজারের দোকানদারদের জন্য, সাপ্তাহিক স্কিম দিনমজুর বা কৃষকের জন্য, মাসিক স্কিম বেতনভোগীদের জন্য। চাইলে বিশেষ উদ্দেশ্যের স্কিমও রাখা যায় — যেমন ঈদ বা স্কুলের খরচের জন্য।
প্রতিটি স্কিমের নিজের নিয়ম থাকতে পারে, আর সদস্য একাধিক স্কিমে একসাথে থাকতে পারেন। রিপোর্টে কোন স্কিমে কত জমেছে তা আলাদা দেখা যায়।
যেখানে ভুল হয়
স্কিম বেশি বানিয়ে ফেলা সবচেয়ে সাধারণ ভুল। দশটা স্কিম মানে আদায়কারীকে দশটা নিয়ম মনে রাখতে হবে, আর দশটা জায়গায় ভুল হওয়ার সুযোগ।
দুই-তিনটে দিয়ে শুরু করুন। সদস্যরা সত্যিই চাইলে তখন নতুন স্কিম যোগ করুন — আগে থেকে বানিয়ে রাখলে খালি স্কিম পড়ে থাকে আর বিভ্রান্তি বাড়ে।
- দৈনিক — দোকানদার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী
- সাপ্তাহিক — দিনমজুর, কৃষক
- মাসিক — বেতনভোগী
- বিশেষ উদ্দেশ্য — ঈদ, স্কুল, কুরবানি
স্কিম ধরে লাভ মাপুন
পণ্য-ভিত্তিক লাভের রিপোর্ট দেখলে বোঝা যায় কোন স্কিমে সমিতি সত্যিই লাভ করছে আর কোনটায় শুধু পরিশ্রম যাচ্ছে। দৈনিক আদায়ে মুনাফা বেশি মনে হয়, কিন্তু যাতায়াত ও সময়ের খরচ বাদ দিলে ছবিটা বদলে যায়।
বছরে একবার এই রিপোর্টটা দেখে স্কিম ছেঁটে নিন। যেটায় লাভ নেই, সেটা বন্ধ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
দুই-তিনটে স্কিম দিয়ে শুরু করুন, আর বছরে একবার লাভের রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নিন কোনটা রাখবেন।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store