একটা ডিপিএস স্কিম চালু করলেন পাঁচ বছরের। কিন্তু একজন সদস্য মাসে পাঁচশো দিতে পারেন, আরেকজন দুই হাজার। দুজনের জন্য দুটো আলাদা স্কিম বানানোর দরকার নেই — একই স্কিমে কিস্তির অঙ্ক আলাদা করা যায়।
কীভাবে কাজ করে
স্কিমে মেয়াদ আর নিয়ম এক থাকে, কিন্তু প্রতিটি সদস্যের হিসাব খোলার সময় তাঁর নিজের কিস্তির অঙ্ক বসিয়ে দেওয়া যায়। আদায়ের সময় তাঁর নামের পাশে তাঁর নিজের অঙ্কটাই দেখায়।
ফলে আদায়কারীকে কিছু মনে রাখতে হয় না, আর কম দিলে সেটা বাকি হিসেবে ধরা পড়ে — সবার জন্য একই অঙ্ক ধরে ভুল হিসাব হয় না।
কেন এটা দরকারি
স্কিম কম রাখলে ব্যবস্থাপনা সহজ হয়। পাঁচটা অঙ্কের জন্য পাঁচটা স্কিম বানালে রিপোর্ট পাঁচ ভাগ হয়ে যায়, আর মেয়াদপূর্তির তালিকা পড়তে কষ্ট হয়।
আর সদস্যের দিক থেকে এটা গুরুত্বপূর্ণ — তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ঢুকতে পারেন, বড় অঙ্কের ভয়ে সমিতির মেয়াদি সঞ্চয় থেকে দূরে থাকেন না।
- এক স্কিম, একই মেয়াদ — কিস্তির অঙ্ক আলাদা
- আদায়ের তালিকায় প্রত্যেকের নিজের অঙ্ক
- কম দিলে বাকি হিসেবে ধরা পড়ে
- রিপোর্ট ভাগ হয়ে যায় না
একটা সতর্কতা
অঙ্ক আলাদা হলেও মুনাফার নিয়ম সবার জন্য এক রাখুন। কারও জন্য বেশি হার দিলে সেটা জানাজানি হয়, আর তখন পক্ষপাতের অভিযোগ সমিতির ভিত নাড়িয়ে দেয়।
সদস্য কিস্তি বাড়াতে চাইলে সেটা লিখিতভাবে নিন আর অ্যাপে আপডেট করে দিন — মুখের কথায় বাড়ালে পরে কত ছিল তা নিয়ে তর্ক হয়।
স্কিম এক রাখুন, অঙ্ক আলাদা করুন — ব্যবস্থাপনা সহজ থাকে আর সদস্য নিজের সামর্থ্যে ঢুকতে পারেন।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store