ডিপিএস মানে নির্দিষ্ট মেয়াদে নির্দিষ্ট কিস্তিতে জমা — যেমন পাঁচ বছরে প্রতি মাসে এক হাজার টাকা। সাধারণ সঞ্চয়ের মতো যখন খুশি তোলা যায় না, আর ঠিক এই কারণেই সমিতির জন্য এটা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তহবিল।
সাধারণ সঞ্চয় থেকে পার্থক্য
সাধারণ সঞ্চয় চলতি হিসাব — সদস্য যখন চান জমা দেন, যখন দরকার তোলেন। ডিপিএস একটা চুক্তি — মেয়াদ, কিস্তির অঙ্ক আর মুনাফার হার আগে ঠিক হয়, আর মেয়াদ শেষে একসাথে টাকা।
সমিতির দিক থেকে এর মানে হলো, এই টাকা অন্তত মেয়াদকাল পর্যন্ত হাতে থাকবে। তাই ডিপিএসের টাকা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়া নিরাপদ, যা সাধারণ সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে নয়।
অ্যাপে হিসাব খোলা ও চালানো
সদস্য বেছে ডিপিএস অ্যাকাউন্ট খুলুন — মেয়াদ, কিস্তির অঙ্ক আর শুরুর তারিখ দিন। পুরনো খাতার ডিপিএস হলে কত কিস্তি আগে জমা হয়েছে তা ওপেনিং ব্যালেন্সে বসিয়ে দিন।
এরপর প্রতি মাসে কিস্তি আদায় করলেই চলে। কতটা জমেছে, কত বাকি আর মেয়াদ শেষ কবে — সব অ্যাপ নিজেই হিসাব রাখে। একজন সদস্যের একাধিক ডিপিএসও থাকতে পারে।
- মেয়াদ, কিস্তির অঙ্ক ও শুরুর তারিখ ঠিক করুন
- পুরনো হিসাব হলে ওপেনিং ব্যালেন্স বসান
- প্রতি মাসে কিস্তি আদায়, রসিদ ও SMS
- একাধিক ডিপিএস — এক সদস্যের নামে
যে দুটো জিনিস আগে ঠিক করবেন
প্রথম, দেরিতে কিস্তি দিলে জরিমানা হবে কি না আর কত। অ্যাপে জরিমানা অটো হিসাব হতে পারে, কিন্তু হার আপনাকেই ঠিক করতে হয়।
দ্বিতীয়, মেয়াদের আগে ভাঙলে কী হবে। এটা আগে লিখে না রাখলে প্রতিটি ঘটনায় আলাদা সিদ্ধান্ত নিতে হয় আর পক্ষপাতের অভিযোগ ওঠে।
ডিপিএস সমিতির সবচেয়ে স্থির তহবিল — শুধু মেয়াদপূর্তির দিনটা আগে থেকে মনে রাখলেই যথেষ্ট।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store