দেরির জরিমানা নিয়ে সমিতিতে দুই রকম সমস্যা হয় — হয় কেউ হিসাব করে না তাই কেউ সময়মতো দেয় না, নয়তো হিসাব হয় হাতে আর প্রতিবার আলাদা অঙ্ক বের হয়। অ্যাপে জরিমানা অটো বসে, তাই দুটোই এড়ানো যায়।
হার আগে ঠিক করুন
জরিমানার হার আপনি ঠিক করেন, আর সেটা সবার জন্য এক থাকে। একবার সেট করার পর কিস্তি দেরিতে এলে অ্যাপ নিজেই জরিমানা হিসাব করে দেখায় — আদায়কারীকে কিছু গুনতে হয় না।
হার ঠিক করার সময় মনে রাখুন, জরিমানার কাজ শাস্তি দেওয়া নয়, সময়ানুবর্তিতা শেখানো। এত বেশি হলে সদস্য হিসাবই ছেড়ে দেবেন, আর তখন আসল টাকাটাও আটকে যাবে।
জরিমানা সমিতির আয়
আদায় করা জরিমানা সদস্যের জমায় যোগ হয় না — এটা সমিতির আয়। অ্যাপে এটা আয়ের খাতেই বসে, তাই লাভ-ক্ষতি হিসাবে ঠিক জায়গায় দেখায়।
এই পার্থক্যটা অনেক সমিতিতে গুলিয়ে যায়। জরিমানা সদস্যের স্থিতিতে বসালে মেয়াদপূর্তিতে বেশি টাকা দিতে হবে, আর সমিতি বুঝতেই পারবে না কোথা থেকে ঘাটতি এল।
- হার একবার সেট — সবার জন্য এক
- দেরি হলে অ্যাপ নিজেই হিসাব করে
- আদায় করা জরিমানা সমিতির আয়
- মাফ করলে কারণ লিখে রাখুন
মাফ করতে হলে
কারো সত্যিকারের বিপদ থাকলে জরিমানা মাফ করা যায়। করুন, কিন্তু কারণ লিখে রাখুন আর কমিটিকে জানান — কারণ ছাড়া মাফ হলে সেটা পরে নজির হয়ে দাঁড়ায়।
কার কত জরিমানা মাফ হলো তা মাসে একবার দেখে নিন। একই নাম বারবার এলে সেখানে জরিমানার সমস্যা নয়, সদস্যের সামর্থ্যের সমস্যা — কিস্তির অঙ্ক কমানোই আসল সমাধান।
জরিমানা আয় বাড়ানোর পথ নয়, নিয়ম রক্ষার পথ। হার কম রাখুন, কিন্তু সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করুন।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store