আদায় কম হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ জটিল কিছু নয় — কার কিস্তি আজ পড়েছে তা কেউ জানে না। মনে রাখার উপর ভরসা করলে প্রতিদিন কিছু নাম বাদ পড়ে, আর মাস শেষে বকেয়া জমে যায়।
তালিকাটা কী দেয়
আজ কাদের কিস্তি পড়েছে, আগামীকাল কাদের পড়বে, আর কাদের আগের কিস্তি বকেয়া আছে — তিনটে আলাদা তালিকা। আদায়কারী সকালে এটা দেখে বেরোলে কাউকে খুঁজতে হয় না।
এলাকা ধরে ছেঁকে নিলে তালিকা আরও ছোট হয় — ঠিক যে পাড়ায় যাচ্ছেন সেই পাড়ার নামগুলো।
আগের দিন সন্ধ্যায় দেখুন
আগামীকালের তালিকা আগের দিন সন্ধ্যায় দেখে নিলে রাতেই রিমাইন্ডার SMS পাঠিয়ে রাখা যায়। সদস্য সকালে টাকা গুছিয়ে রাখেন, আর আদায়কারীর একবার গিয়ে ফিরে আসা লাগে না।
এই একটা অভ্যাসই আদায়ের হার বদলে দেয়। রিমাইন্ডার ফিল্টার করে পাঠানো যায়, তাই শুধু যাঁদের দরকার তাঁদেরই যায় — SMS খরচও বাড়ে না।
- সন্ধ্যায় আগামীকালের তালিকা দেখুন
- রিমাইন্ডার SMS পাঠিয়ে রাখুন
- সকালে এলাকা ধরে তালিকা খুলুন
- বকেয়ার তালিকা আলাদা করে ধরুন
বকেয়ার তালিকা আলাদা রাখুন
আজকের কিস্তি আর পুরনো বকেয়া — দুটো এক তালিকায় মিশিয়ে ফেললে বকেয়া কখনো শোধ হয় না, কারণ চোখ সবসময় আজকের দিকেই যায়।
বকেয়ার তালিকাটা সপ্তাহে অন্তত একদিন আলাদা করে ধরুন। যত পুরনো বকেয়া, তত কম ফেরার সম্ভাবনা — তাই পুরনোগুলো আগে।
দিন শুরু হোক তালিকা দিয়ে, স্মৃতি দিয়ে নয়। আদায়ের হার বাড়ানোর এটাই সবচেয়ে সস্তা উপায়।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store