যিনি শহরে থাকেন বা মাঠে আদায়কারীর অপেক্ষা করতে চান না, তিনি নিজের ফোন থেকেই জমা দিতে চান। অনলাইন জমার সুবিধা এটাই করে — তবে হিসাবের নিয়ন্ত্রণ সমিতির হাতেই থাকে।
পথটা কেমন
সদস্য নিজের অ্যাপ থেকে জমার অনুরোধ পাঠান আর টাকা পাঠান। সমিতির পর্দায় সেটা একটা অনলাইন জমা হিসেবে আসে, আর সমিতি যাচাই করে গ্রহণ করলে তখন সদস্যের স্থিতিতে যোগ হয়।
অর্থাৎ সদস্য নিজে ব্যালেন্স বাড়াতে পারেন না — তিনি শুধু জানান আর টাকা পাঠান। হিসাবে বসানোর কাজটা সমিতির।
কাদের জন্য কাজে লাগে
প্রবাসী সদস্য, শহরে কাজ করা সদস্য, বা যাঁর এলাকায় আদায়কারী সপ্তাহে একবার যান — এঁদের জন্য এটা বড় সুবিধা। সদস্য সংখ্যা ছড়িয়ে থাকলে আদায়ের খরচও কমে।
অনলাইন জমার আলাদা রিপোর্ট আছে, তাই কোন টাকা মাঠ থেকে এল আর কোনটা অনলাইনে — এটা আলাদা করে দেখা যায়।
- সদস্য অনুরোধ পাঠান, সমিতি গ্রহণ করে
- প্রবাসী ও শহুরে সদস্যের জন্য সুবিধা
- অনলাইন জমার আলাদা রিপোর্ট
- প্রিমিয়াম মডিউল — আলাদা করে চালু করতে হয়
যাচাই করার অভ্যাস রাখুন
টাকা সত্যিই এসেছে কি না দেখে তারপর গ্রহণ করুন। দাবি আর বাস্তব মিলিয়ে নেওয়ার কাজটা না করলে ব্যালেন্স বাড়বে কিন্তু ক্যাশ বাড়বে না।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইন জমার তালিকাটা দেখে নেওয়ার অভ্যাস করুন। দেরি হলে সদস্য ভাবেন তাঁর টাকা হারিয়ে গেছে।
সদস্যকে নিজে জমা দেওয়ার সুযোগ দিন, কিন্তু হিসাবে বসানোর চাবি নিজের হাতেই রাখুন।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store