যে সমিতি সার, বীজ, খাদ্য বা নিত্যপণ্য বিক্রি করে, তার জন্য হিসাব শুধু টাকার নয় — মজুদেরও। কারণ গুদামে পড়ে থাকা মাল আসলে আটকে থাকা টাকা, আর সেই টাকাটা দেখা যায় না বলে ভুলে যাওয়া সহজ।
মজুদ মানেই টাকা
এক লাখ টাকার মাল গুদামে থাকলে সমিতির এক লাখ টাকা ওখানে আটকে আছে। সেটা বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত ঋণ দেওয়া যায় না, উত্তোলন মেটানো যায় না।
তাই মজুদের হিসাব রাখা মানে টাকার হিসাব রাখা। কত ঢুকল, কত বিক্রি হলো আর কত আছে — এই তিনটে জানা না থাকলে ক্ষতি নিরবে ঘটে।
কী কী রাখতে হয়
পণ্যের তালিকা, কেনা দাম ও বিক্রির দাম, কত ঢুকল ও কত বেরোল, আর চলতি মজুদ। সাথে বাকিতে বিক্রি হলে কার কাছে কত পাওনা।
বাকিতে বিক্রিই সবচেয়ে বড় ফাঁদ। মাল চলে গেছে, টাকা আসেনি — খাতায় বিক্রি দেখাচ্ছে কিন্তু ক্যাশ বাড়ছে না।
- পণ্যের তালিকা ও দাম
- ক্রয়, বিক্রয় ও চলতি মজুদ
- বাকিতে বিক্রির পাওনা
- মজুদ ধরে লাভের হিসাব
মাসে একবার গুনে মিলিয়ে নিন
খাতার মজুদ আর গুদামের বাস্তব মজুদ — মাসে একবার গুনে মিলিয়ে নিন। পার্থক্য থাকলে সেটা চুরি, নষ্ট হওয়া বা এন্ট্রি বাদ পড়া — তিনটের একটা।
এই গণনাটা না করলে মজুদের হিসাব কাগজে থাকে আর বাস্তবে অন্য কিছু, আর তখন লাভের হিসাবও মিথ্যা হয়ে যায়। ইনভেন্টরি একটা প্রিমিয়াম মডিউল — দরকার হলে আলাদা করে চালু করুন।
গুদামে পড়ে থাকা মাল বসে থাকা টাকা। মাসে একবার গুনে মিলিয়ে নিলে এই টাকাটা হিসাবের বাইরে যায় না।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store