অনেক ছোট সমিতির অফিস নেই, কম্পিউটার নেই, আলাদা হিসাবরক্ষকও নেই। প্রশ্নটা তাই স্বাভাবিক — শুধু ফোনে কি পুরো সমিতি চলে? সংক্ষেপে উত্তর হ্যাঁ, কারণ অ্যাপটা ফোনের জন্যই বানানো, কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে ছোট করে ঢোকানো নয়।
ফোনেই যা যা হয়
সদস্য ভর্তি থেকে জমা-উত্তোলন, ডিপিএস কিস্তি, লোন বিতরণ ও আদায়, খরচের ভাউচার, খতিয়ান — সবই ফোনে। রিপোর্টও ফোনে তৈরি হয় আর PDF বা Excel-এ নেমে আসে, যা সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যায়।
রসিদের জন্য কম্পিউটার-প্রিন্টার লাগে না — একটা ছোট ব্লুটুথ থার্মাল প্রিন্টার ফোনের সাথে জুড়ে দিলেই বাংলায় রসিদ ছাপে। প্রিন্টার না থাকলেও ডিজিটাল রসিদ শেয়ার করা যায়।
বড় স্ক্রিন কখন কাজে লাগে
সদস্য সংখ্যা বাড়লে বা অনেকগুলো রিপোর্ট পাশাপাশি দেখতে হলে ট্যাব আরামদায়ক। একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে চলে, আর ট্যাবের বড় পর্দায় তালিকাগুলো বেশি ঘর দেখায়।
তবে এটা দরকার নয়, সুবিধা। শুরুতে যা আছে তা নিয়েই শুরু করুন।
- অ্যান্ড্রয়েড ফোন — পুরো সমিতি চালানোর জন্য যথেষ্ট
- ট্যাব — বড় তালিকা ও রিপোর্টে বেশি আরাম
- ব্লুটুথ থার্মাল প্রিন্টার — ঐচ্ছিক, রসিদের জন্য
- ইন্টারনেট — এন্ট্রির সময় লাগে, তবে দুর্বল নেটেও কাজ চলে
যেখানে সাবধান
একটাই ফোনে সব করলে সেই ফোনটা সমিতির সবচেয়ে দামি জিনিস। পিন দিন, স্ক্রিন লক দিন, আর নিশ্চিত হয়ে নিন ক্লাউড ব্যাকআপ চালু আছে।
আর যত ছোট সমিতিই হোক, আদায়কারীকে নিজের লগইন দিন। একজনের ফোনে সবাই কাজ করলে কে কী করল তার রেকর্ড অর্থহীন হয়ে যায়।
একটা ফোন, একটা নম্বর — এতেই শুরু করা যায়। এক ট্যাপের পেছনে কী ঘটে দেখে নিলে ছবিটা আরও পরিষ্কার হবে।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store