সকালে আদায়কারী বেরোলেন, সন্ধ্যায় ফিরে টাকা জমা দিলেন। মাঝখানের এই আট ঘণ্টায় টাকাটা কোথায় ছিল আর কত ছিল — পুরনো ব্যবস্থায় এর উত্তর ছিল শুধু বিশ্বাস। ওয়ালেট এই জায়গাটায় একটা হিসাব বসিয়ে দেয়।
ওয়ালেট কী করে
আদায়কারী যখন নগদে কোনো জমা নেন, টাকাটা তাঁর নিজের ওয়ালেটে জমা হয় — সমিতির ক্যাশে নয়। অর্থাৎ অ্যাপ জানে এই মুহূর্তে তাঁর হাতে কত টাকা আছে।
দিন শেষে তিনি অফিসে টাকা হস্তান্তর করলে সেটা ওয়ালেট থেকে বের হয়ে সমিতির ক্যাশ বইতে ঢোকে। তখন তাঁর ওয়ালেট শূন্য হয়।
এতে কী পরিষ্কার হয়
কার কাছে কত টাকা আছে তা আর অনুমানের বিষয় নয়। কেউ তিন দিন ধরে হস্তান্তর না করলে সেটা পর্দাতেই দেখা যায় — জিজ্ঞেস করার আগেই।
আর সমিতির ক্যাশ বই সত্যি কথা বলে। মাঠের টাকা ক্যাশে না দেখানোয় ক্যাশবুক আর বাস্তব সবসময় মেলে, গরমিল তৈরি হয় না।
- নগদ আদায় → আদায়কারীর ওয়ালেট
- হস্তান্তর → সমিতির ক্যাশ বই
- কার কাছে কত আছে — পর্দায় দেখা যায়
- ব্যাংক বা বিকাশে আসা টাকা সরাসরি ওই হিসাবে
নিয়ম করে নিন
প্রতিদিন সন্ধ্যায় হস্তান্তর — এই একটা নিয়ম করে দিন। দুই দিন জমতে দিলে অঙ্ক বড় হয়, আর বড় অঙ্ক হাতে থাকা মানেই ঝুঁকি।
স্টাফ ছেড়ে যাওয়ার আগে তার ওয়ালেট শূন্য করে নিন। টাকা ঝুলে থাকা অবস্থায় কাউকে নিষ্ক্রিয় করলে হিসাবে একটা অমীমাংসিত অঙ্ক পড়ে থাকে।
বিশ্বাসের জায়গায় হিসাব বসালে সম্পর্কও ভালো থাকে — কারণ তখন কাউকে সন্দেহ করার দরকার পড়ে না।
আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন
সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।
▶ Google Play App Store