← ব্লগে ফিরে যান
ডিজিটাল সমিতি

আদায়কারীর পারফরম্যান্স মাপার নিয়ম

কে কত তুলছেন, কার এলাকায় বকেয়া জমছে — অনুমান নয়, রিপোর্ট দেখে মাপার উপায়।

আদায়কারীর পারফরম্যান্স মাপার নিয়ম

আদায়কারীর কাজের মূল্যায়ন প্রায়ই হয় অনুভূতি দিয়ে — কে বেশি পরিশ্রমী মনে হয়, কে বেশি কথা বলেন। কিন্তু আদায়ের কাজটা সংখ্যার কাজ, তাই মাপাটাও সংখ্যা দিয়েই হওয়া উচিত।

চারটে সংখ্যা দেখুন

প্রথম, তাঁর এলাকায় মোট কত আদায় হওয়ার কথা ছিল আর কত হলো। দ্বিতীয়, কতজন সদস্যের কাছে গেলেন। তৃতীয়, তাঁর এলাকার বকেয়া বাড়ছে না কমছে। চতুর্থ, হস্তান্তরে দেরি হয় কি না।

আদায়কারী পারফরম্যান্স রিপোর্ট আর এরিয়া ভিত্তিক তালিকা পাশাপাশি দেখলে এই চারটেই পাওয়া যায়।

  • প্রত্যাশিত বনাম বাস্তব আদায়
  • কতজন সদস্যের কাছে পৌঁছালেন
  • এলাকার বকেয়ার প্রবণতা
  • হস্তান্তরের নিয়মিততা

এলাকা ধরে তুলনা করুন, মানুষ ধরে নয়

দুজনের এলাকা এক রকম না হলে তাঁদের আদায়ের অঙ্ক তুলনা করা অন্যায়। একজনের এলাকায় বড় সদস্য বেশি, আরেকজনের এলাকা দূরে ও ছড়ানো।

তাই তুলনা করুন শতাংশে — প্রত্যাশিত আদায়ের কত শতাংশ এল। আর প্রবণতা দেখুন — তাঁর নিজের গত তিন মাসের তুলনায় এই মাস কেমন।

সংখ্যা দিয়ে কথা বলুন

মাসে একবার বসে রিপোর্ট দেখিয়ে কথা বলুন। তুমি কাজ করছ না বলার বদলে তোমার এলাকায় বকেয়া তিন মাসে দ্বিগুণ হয়েছে বলা অনেক বেশি কাজ করে — কারণ এটা ব্যক্তিগত নয়, সংখ্যা।

আর যাঁর সংখ্যা ভালো, তাঁর প্রশংসা সবার সামনে করুন। আদায়ের কাজে উৎসাহই সবচেয়ে বড় প্রেরণা।

অনুভূতি দিয়ে মূল্যায়ন করলে ভালো কর্মীও হতাশ হন। সংখ্যা দিয়ে করলে দুর্বল কর্মীও জানেন কোথায় উন্নতি দরকার।

আজই সমিতি কিপার লাইট দিয়ে হিসাব শুরু করুন

সদস্য, সঞ্চয়, DPS, লোন ও রিপোর্ট — সমিতির সব হিসাব এক বাংলা অ্যাপে।

▶ Google Play App Store