সদস্য হওয়ার শর্তাবলি
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সিদ্ধান্ত নং–১: মেয়াদ
সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সংগঠনের বর্তমান কার্যক্রম, চুক্তি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের মেয়াদ ৫ (পাঁচ) বছর নির্ধারণ করা হলো। উক্ত মেয়াদ ০১ জুন ২০২৬ ইং তারিখ হতে কার্যকর হয়ে পরবর্তী ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এছাড়া, উক্ত ৫ (পাঁচ) বছরের মেয়াদকালের মধ্যে কোনো সদস্য স্বেচ্ছায় সদস্যপদ প্রত্যাহার করে তার জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না। কোনো সদস্য নির্ধারিত চাঁদা বা অন্যান্য অর্থ প্রদান করতে অপারগ হলে, তিনি তার জমাকৃত মূলধন ফেরত পাওয়ার জন্য মেয়াদ পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বাধ্য থাকবেন।
মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সদস্য শুধুমাত্র তার জমাকৃত মূল অর্থ/মূলধন ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবেন। তিনি সংগঠনের কোনো প্রকার লাভ, মুনাফা, অতিরিক্ত সুবিধা বা সংগঠনের সম্পদের অংশীদার হিসেবে বিবেচিত হবেন না।
সিদ্ধান্ত নং–২: মূলধন গ্রহণ
সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সংগঠনের আওতাধীন চেক জমার বিপরীতে যে কোনো ব্যক্তি/সদস্যের নিকট থেকে মুদারাবা ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা যাবে।
তবে অর্থ গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী/সদস্যের নিকট হতে ১০০ (একশত) টাকার ১টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করতে হবে। উক্ত অঙ্গীকারনামায় অর্থ গ্রহণের পরিমাণ, অর্থ গ্রহণের উদ্দেশ্য, পরিশোধের সময়সীমা ও প্রযোজ্য অন্যান্য শর্তাবলি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
সিদ্ধান্ত নং–৩: সম্পত্তি ক্রয় ও চাঁদা নির্ধারণ
সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সংগঠনের প্রয়োজন ও স্বার্থ বিবেচনায় যে কোনো সময় জমি, ভবন বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করা যাবে।
উক্ত সম্পত্তি ক্রয় ও সংগঠনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সময়ে সময়ে সংগঠনের সদস্যদের জন্য চাঁদার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। নির্ধারিত চাঁদা সকল সংশ্লিষ্ট সদস্যকে সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যথাসময়ে পরিশোধ করতে হবে।
সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সংগঠনের বর্তমান কার্যক্রম, চুক্তি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের মেয়াদ ৫ (পাঁচ) বছর নির্ধারণ করা হলো। উক্ত মেয়াদ ০১ জুন ২০২৬ ইং তারিখ হতে কার্যকর হয়ে পরবর্তী ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এছাড়া, উক্ত ৫ (পাঁচ) বছরের মেয়াদকালের মধ্যে কোনো সদস্য স্বেচ্ছায় সদস্যপদ প্রত্যাহার করে তার জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না। কোনো সদস্য নির্ধারিত চাঁদা বা অন্যান্য অর্থ প্রদান করতে অপারগ হলে, তিনি তার জমাকৃত মূলধন ফেরত পাওয়ার জন্য মেয়াদ পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বাধ্য থাকবেন।
মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সদস্য শুধুমাত্র তার জমাকৃত মূল অর্থ/মূলধন ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবেন। তিনি সংগঠনের কোনো প্রকার লাভ, মুনাফা, অতিরিক্ত সুবিধা বা সংগঠনের সম্পদের অংশীদার হিসেবে বিবেচিত হবেন না।
সিদ্ধান্ত নং–২: মূলধন গ্রহণ
সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সংগঠনের আওতাধীন চেক জমার বিপরীতে যে কোনো ব্যক্তি/সদস্যের নিকট থেকে মুদারাবা ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা যাবে।
তবে অর্থ গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী/সদস্যের নিকট হতে ১০০ (একশত) টাকার ১টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করতে হবে। উক্ত অঙ্গীকারনামায় অর্থ গ্রহণের পরিমাণ, অর্থ গ্রহণের উদ্দেশ্য, পরিশোধের সময়সীমা ও প্রযোজ্য অন্যান্য শর্তাবলি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
সিদ্ধান্ত নং–৩: সম্পত্তি ক্রয় ও চাঁদা নির্ধারণ
সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, সংগঠনের প্রয়োজন ও স্বার্থ বিবেচনায় যে কোনো সময় জমি, ভবন বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করা যাবে।
উক্ত সম্পত্তি ক্রয় ও সংগঠনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সময়ে সময়ে সংগঠনের সদস্যদের জন্য চাঁদার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। নির্ধারিত চাঁদা সকল সংশ্লিষ্ট সদস্যকে সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যথাসময়ে পরিশোধ করতে হবে।